ফেনসিডিল উদ্ধার, গ্রেফতার ২
ইত্তেফাক রিপোর্ট
রাজবাড়ীর খানকাপুর এলাকার বাসিন্দা সুমন মিয়া পেশায় একজন কাপড়ের ব্যবসায়ী। অথচ এ ব্যবসার আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় চালিয়ে আসছিল মাদক পাচার। দেশের সীমান্ত এলাকা থেকে নিজের প্রাইভেটকারে পৌঁছে দিত মাদকের চালান।
এরই ধারাবাহিকতায় চুয়াডাঙ্গা থেকে ফেনসিডিলের চালান নিয়ে ঢাকায় এসেছিল সুমন। কাঙ্ক্ষিত মাদক ব্যবসায়ীর কাছে চালান পৌঁছে দেওয়ার আগেই র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) তাকে আটক করে। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর উত্তরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফেনসিডিলভর্তি প্রাইভেটকারসহ সুমনকে আটক করে র্যাব-১। এ সময় তার সহযোগী চালক সজিব হোসেনকেও আটক করা হয়।
র্যাব জানায়, জব্দকৃত প্রাইভেটকার থেকে এক হাজার ৭৫ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়েছে। চালানটি চুয়াডাঙ্গা দর্শনার মাদক ব্যবসায়ী মান্নানের কাছ থেকে এনে উত্তরার এক মাদক ব্যবসায়ীর কাছে পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল।
র্যাব-১ এর স্কোয়াড কমান্ডার (সিপিসি-১) সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) কামরুজ্জামান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উত্তরা পশ্চিম থানার ৭ নম্বর সেক্টরের রাস্তা থেকে ফেনসিডিলভর্তি প্রাইভেটকারসহ দুজনকে আটক করা হয়। আটককৃত সুমনের রাজবাড়ীর খানখানাপুর বাজারে একটি কাপড়ের দোকান রয়েছে। কাপড়ের ব্যবসার পাশাপাশি তিনি দীর্ঘদিন ধরে মাদক চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত।
এর আগে ৮-১০টি মাদকের চালান চুয়াডাঙ্গা থেকে ঢাকা পৌঁছে দিয়েছে সুমন। প্রতি চালানে ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পেয়েছে বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে। আটককৃত সজিব পেশায় গাড়িচালক। সে ১০ বছর ধরে রাজবাড়ীসহ আশপাশের এলাকায় রেন্ট-এ-কারের গাড়ি চালিয়ে আসছিল। এর পাশাপাশি সে দীর্ঘদিন ধরে মাদক পরিবহনের সঙ্গে জড়িত। র্যাবের হাতে জব্দ হওয়া চালানটি পৌঁছে দিলে সে ২০ হাজার টাকা পেত।
এএসপি কামরুজ্জামান আরো বলেন, আটক দুই জনই এর আগে মাদক মামলায় গ্রেফতার হয়ে জেলে ছিল। জামিনে বের হয়ে তারা আবারও মাদক চোরাচালানে জড়িয়ে পড়ে। তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
