বেনাপোলে আবারও ভায়াগ্রার কাঁচামাল জব্দ

আপডেট : ০৭ আগস্ট ২০১৯, ২১:২৩

বেনাপোল (যশোর) সংবাদদাতা

বেনাপোল বন্দরে আবারও আড়াই টন (২৫০০ কেজি) ভায়াগ্রার কাঁচামাল জব্দ করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে ভারত থেকে সোডিয়াম স্টার্চ গ্লাইকোলেট আমদানির আড়ালে ঐ কাঁচামাল আমদানি হচ্ছিল। এ সময় জব্দ করা হয়েছে আমদানিকারকের সকল কাগজপত্র।

এদিকে বুধবার দুপুরে বেনাপোল কাস্টম হাউসে জব্দ পণ্য চালানের পুনঃপরীক্ষা হয়েছে। পণ্য চালানটির আমদানিকারক ঢাকার ৪৭/সি মিটফোর্ড রোডের মেসার্স বায়েজিত এন্টারপ্রাইজ। পণ্যটি আমদানির জন্য আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান গত ২১ মে একটি এলসি খোলেন। ঐ পণ্যের প্যাকিং লিস্টে আমদানি করা হয় ২৫০০ কেজি সোডিয়াম স্টার্চ গ্লাইকোলেট। কিন্তু জব্দের পর পরীক্ষণ করে দেখা যায় সিলডেনাফিল সাইট্রেট (ভায়াগ্রার মূল উপাদান)।

বেনাপোল কাস্টমস হাউসের ইনভেস্টিগেশন রিসার্স এন্ড ম্যানেজমেন্ট গ্রুপের একটি প্রতিনিধি দল জব্দ মালামাল পরীক্ষণ করেছে। পরীক্ষণের পর বুধবার রিপোর্ট পেশ করেছে। রিপোর্টে পণ্য চালানটির মালামাল ঘোষণার আড়ালে ভায়াগ্রা পাওয়ার সত্যতা প্রকাশ পায়। যা থেকে সাড়ে ১২ কোটি টাকা সরকারের রাজস্ব ফাঁকি হচ্ছিল বলে জানিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

বেনাপোল কাস্টম হাউসের কমিশনার বেলাল হোসাইন চৌধুরী গতকাল প্রেস ব্রিফিং-এ জানান, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে কাস্টম হাউসের একটি প্রতিনিধিদল কয়েকদিন আগে বন্দরের সেড থেকে চালানটি জব্দ করে। পরে সেটি পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। পণ্যটির সিএন্ডএফ এজেন্ট ছিলেন মেসার্স সাইনী শিপিং সার্ভিসেস। তাদের লাইসেন্সটি সাময়িক বাতিল করা হয়েছে।

এদিকে এ ঘটনায় বুধবার জয়েন্ট কমিশনার শহিদুল ইসলামকে প্রধান করে সাত সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে। তদন্তে দোষিদের ফৌজদারী মামলার আওতায় আনা হবে।