ঢাকার নবাবগঞ্জে নুরুল হক (৭৫) নামে এক বৃদ্ধকে শ্বাসরোধ করে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন নিহতের নাতি ইব্রাহিম। বুধবার দুপুরে নবাবগঞ্জের চিফ জুডিশিয়াল আমলী আদালতে তাকে হাজির করা হলে সে এ হত্যার দায় স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। পরে আদালত আসামি ইব্রাহিমকে কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নিহতের স্ত্রী রাজিয়া বেগম বাদী হয়ে নবাবগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ইব্রাহীম নিহত নুরুল হকের মেজ ছেলে সিরাজের সন্তান।
নবাবগঞ্জ থানার বারুয়াখালী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. নাসির উদ্দিন জানান, নুরুল হক হত্যা ঘটনার দিনই নিহতের মেজ ছেলে সিরাজ, সিরাজের ছেলে ইব্রাহিম ও নুরুল হকের ছোট মেয়ের জামাই রওশনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মঙ্গলবার আটক করা হয়। প্রাথমিকভাবে পুলিশের কাছে ইব্রাহিম তার দাদা নুরুল হককে হত্যার করার দায় স্বীকার করে। বুধবার দুপুরে তাকে আদালতে হাজির করা হলে সে সম্পত্তির লোভে তার দাদাকে গলায় গামছা পেচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে।
পরিদর্শক নাসির উদ্দিন আরও জানান, এ ঘটনায় বাকি দুইজনের ব্যাপারে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। হত্যার সঙ্গে জড়িত পাওয়া গেলে তাদেরকেও আইনের আওতায় আনা হবে।
আরও পড়ুন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ওসিসহ আহত ২০
গত মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার শিকারীপাড়া ইউনিয়নের শেরপুর গ্রামের নুরুল হককে (৭৫) শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। নুরুল হক ওই গ্রামের মৃত সুখাই বাবুর্চির ছেলে।
ইত্তেফাক/নূহু
