গোপালগঞ্জের চাঞ্চল্যকর গৃহবধূ জাকিয়া হত্যা মামলা দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়েছেন নিহতের পরিবার। তাদের অভিযোগ ঘাতক স্বামী কারাগারে থাকলেও জামিনে থাকা আসামিরা বিভিন্ন উপায়ে কালক্ষেপণ করে বিচারে দীর্ঘসূত্রিতা করছে। এ অবস্থায় মামলাটির কার্যক্রম দ্রুত নিষ্পত্তি করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন জাকিয়ার পরিবার। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে সেগুনবাগিচায় ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে নিহত জাকিয়ার ছোটো ভাই আছিম উদ্দিন মল্লিক এ দাবি করেন।
আছিম উদ্দিন মল্লিক বলেন, ২০০৫ সালে জাকিয়া বেগমের বিয়ে হয় মোর্শেদায়ান নিশানের সঙ্গে। বিয়ের পাঁচ বছর পর নিশান তার বোনের কাছে ১ কোটি টাকা যৌতুক দাবি করেন। এ নিয়ে সংসারে অশান্তি শুরু হয়। এর ধারাবাহিকতায় ২০১৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি রাতে নিশান, এহসান সুজন, আনিচুর রহমান, হাসান শেখ মিলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে জাকিয়াকে কুপিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় তার বাবা জালাল উদ্দিন মল্লিক বাদী হয়ে নিশানকে প্রধান আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।
তিনি আরো বলেন, নিশান বর্তমানে জেল হাজতে এবং বাকি তিন আসামি জামিনে আছেন। তবে নিশান জেল থেকে প্রভাব খাটিয়ে মামলার কার্যক্রম বিলম্ব করছেন। তিনি বিভিন্ন কৌশলে এবং অসুস্থতার অজুহাত দেখিয়ে একের পর এক তারিখ নিচ্ছেন। বর্তমানে নিশান কেরানীগঞ্জে ঢাকা কেদ্রীয় কারাগারে বন্দি রয়েছেন। এ হত্যা মামলাটির দ্রুত বিচার সম্পন্ন করতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।
