বুলবুলি খাতুন (৪৮)। স্বামী মৃত নুরাল ফকির। তাড়াশ উপজেলার পৌর শহরের আসানবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা। দিনমজুর বুলবুলি খাতুনের স্বামী মারা যাওয়ার ২৫ বছর পেরিয়ে গেলেও জোটেনি বিধবা ভাতা।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে বুলবুলি খাতুন বলেন, বিয়ের পর থেকেই তিনি দিনমজুরের কাজ করে চলেছেন। ১৯৯৪ সালে তার ভিটেমাটিহীন দিনমজুর স্বামী মারা যান। অতিরিক্ত খাটুনি আর খেয়ে না খেয়ে যথেষ্ট বয়স হওয়ার আগেই শরীর ও মন ভেঙে পড়েছেন বুলবুলি খাতুনের। কাজ না করলে কি খাবেন সেই ভাবনা আজও জীবন থেকে গেল না! আজকাল তার শরীরটাও ভালো যায় না। রোগব্যাধির কারণে সারাক্ষণ কাতরাতে থাকেন। অর্থাভাবে চিকিত্সাও জোটে না। তার অনেক পুরনো ছোটো বসতঘরটিও মেরামতের অভাবে বেহাল হয়ে পড়েছে। দিনমজুরের কাজ করেই দুই মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন তিনি। একমাত্র ছেলে বিয়ে করে আলাদা সংসার করছে। তারও অভাব-অনটনের সংসার। স্বামী মারা যাওয়ার ২৫ বছর পরও বিধবা ভাতা কার্ড তার কপালে জোটেনি।
এ প্রসঙ্গে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. শাহাদত হোসেন বলেন, বুলবুলি খাতুনের খোঁজ-খবর নিয়ে তার জন্য শিগগিরই বিধবা ভাতার ব্যবস্থা করা হবে।
