বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচিত পরিচালকদের প্রথম সভায় বিভিন্ন বিভাগের দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) তামিম ইকবালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভাটি শেষ হয় এক ঘণ্টারও কম সময়ে। এতে ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগে আলাদা কোনো চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়া হয়নি।
সভা সূত্রে জানা গেছে, বোর্ড সভাপতি তামিম ইকবাল নিজেই ওয়ার্কিং ও ফ্যাসিলিটিজ বিভাগের প্রধানের দায়িত্ব নিয়েছেন। জাতীয় দলের তত্ত্বাবধানকারী ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগে পৃথক চেয়ারম্যান না থাকায় প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী এই দায়িত্ব সভাপতির অধীনেই থাকবে।
সহসভাপতি ফাহিম সিনহাকে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল ও গেম ডেভেলপমেন্ট বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। গ্রাউন্ডস ও হাই পারফরম্যান্স ইউনিটের প্রধান হয়েছেন শানিয়ান তানিম। সর্বশেষ অ্যাডহক কমিটির সময়ে গ্রাউন্ডসের দায়িত্বে থাকা রফিকুল ইসলাম এবার নারী উইংয়ের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন।
জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক মিনহাজুল আবেদীন এইজ গ্রুপ বিভাগের দায়িত্বে রয়েছেন। ডিসিপ্লিনারি বিভাগের প্রধান করা হয়েছে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীকে। অর্থ বিভাগের দায়িত্ব পেয়েছেন ইসরাফিল খসরু। সিকিউরিটি ও টেন্ডার অ্যান্ড পারচেজ কমিটির প্রধান হয়েছেন সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ। টুর্নামেন্ট বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সিরাজউদ্দীন মোহাম্মদ আলমগীরকে।
লজিস্টিকস ও প্রটোকল কমিটির চেয়ারম্যান হয়েছেন ইয়াসির মোহাম্মদ ফয়সাল। মেডিকেল বিভাগের দায়িত্ব পেয়েছেন প্রফেসর ডা. মোহাম্মদ মাহবুব আহমেদ শামীম। মিডিয়া কমিটির প্রধান করা হয়েছে আসিফ রাব্বানিকে।
এ ছাড়া সিসিডিএমের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মঈন উদ্দীন চৌধুরীকে। ফিজিক্যালি চ্যালেঞ্জড কমিটির প্রধান হয়েছেন আব্দুল্লাহ আল ফুয়াদ। অডিট কমিটির দায়িত্বে রয়েছেন সাইদ বিন জামান এবং ওয়েলফেয়ার কমিটির দায়িত্ব পেয়েছেন শেখ মোহাম্মদ রুহুল আমিন।
রাজশাহী থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত মীর শাকরুল আলমের পদত্যাগপত্র সভায় গ্রহণ করা হয়েছে। মোট ২৪ পরিচালকের মধ্যে ১৮ জন বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। সরফরাজ আহমেদ ও মির্জা ফয়সল আমীন দুটি কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান হয়েছেন। বাকি চার পরিচালক—মিজানুর রহমান, শান্তুনু ইসলাম, শফিকুল আলম ও সাকিফ আহমেদ—কোনো বিভাগের দায়িত্ব পাননি।
বিভাগ বণ্টনের পাশাপাশি সভায় কয়েকটি অবকাঠামোগত সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। মিরপুরে ক্রিকেটারদের জন্য একটি সুইমিংপুল নির্মাণ, শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে ছাদ স্থাপন এবং জাতীয় দলের জন্য একটি টিম বাস কেনার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত অনুমোদন করা হয়েছে।

