আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উদযাপিত

আপডেট : ১০ জুন ২০২৬, ১৩:৪০

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উদযাপিত হয়েছে।

সরকারি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী গত ২৯ মে পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটি চলমান থাকায় এ বছর শুধুমাত্র বিশেষ ব্যবস্থায় ১০ জুন (বুধবার) দিবসটি উদযাপনের সব কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের শান্তিরক্ষীদের অসামান্য অবদানকে এ দিনে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়।

দিবসটি উপলক্ষে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী, তিন বাহিনীর প্রধান, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, পুলিশের মহাপরিদর্শক, জাতিসংঘ মহাসচিব এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী পৃথক পৃথক বাণী প্রদান করেন। এসব বাণী ক্রোড়পত্র আকারে দেশের বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত হয়েছে। এ বছরের প্রতিপাদ্য ছিল “Invest in Peace”।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল ১০টায় ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে শান্তিরক্ষা মিশনে শাহাদতবরণকারী শান্তিরক্ষীদের পরিবার এবং আহত শান্তিরক্ষীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের পর শান্তিরক্ষা মিশনে শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের ওপর একটি বিশেষ উপস্থাপনা প্রদর্শিত হয়।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী ক্যারল ফ্লোর-স্মেরেঝনিয়াক (Carol Flore-Smereczniak)। জ্যেষ্ঠতম শান্তিরক্ষী হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। 

এছাড়াও বক্তব্য রাখেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম। অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, কূটনৈতিক প্রতিনিধি, জাতিসংঘের কর্মকর্তা, তিন বাহিনীর প্রধানসহ ঊর্ধ্বতন সামরিক ও অসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে বিশেষ টকশো প্রচার করা হয়। পাশাপাশি “International Day of United Nations Peacekeepers Journal”-এর ১২তম সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছে।

ইত্তেফাক/এএইচপি