লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ)

কৌশল নির্ধারণে ব্যস্ত ড. আনোয়ার এলাকায় ফিরছেন না সাহাদাত

আপডেট : ০৬ ডিসেম্বর ২০১৮, ২১:৫৪

লক্ষ্মীপুর-১ আসনে জয়ের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে প্রায় সব রকম প্রস্তুতি শেষ করেছেন এ আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ড. আনোয়ার হোসেন খান। নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর দলীয় মনোনয়ন লাভ করে আওয়ামী লীগ প্রার্থী নির্বাচনী এলাকায় বিচরণ করলেও প্রতিপক্ষ ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী এলডিপি যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাহাদাত হোসেন সেলিম এখনও ফিরছেন না নেতা-কর্মীদের মাঝে। তিনি সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে বিএনপি ত্যাগ করে কর্নেল (অব.) অলি আহমদ নেতৃত্বাধীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টিতে (এলডিপি) যোগ দেন। তাই ঢাকাস্থ রামগঞ্জের বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও বিএনপি নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করে নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি হলে তিনি এলাকায় ফিরবেন বলে জানা গেছে। এ ছাড়া জাতীয় পার্টিসহ অন্য দলের প্রার্থীদের নির্বাচনী এলাকায় খুঁজে পাওয়া যায়নি।

ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী এলাকার সঙ্গে সম্পৃক্ত না থাকলেও গত চার বছর থেকে আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি নৌকার একমাত্র কাণ্ডারি ড. আনোয়ার হোসেন খান নির্বাচনী এলাকা প্রতিটি গ্রামে জনসভা এবং উঠান বৈঠক থেকে শুরু করে গণসংযোগের কাজও শেষ করে ফেলেছেন। এখন চলছে কেন্দ্র কমিটিকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া। এ জন্য পৌর শহরের কলাবাগানাস্থ খান টাওয়ার অডিটোরিয়াম নির্বাচনী পর্যবেক্ষণ সেলে কর্মীদের নিয়ে দিন-রাতে চলছে তার নির্বাচনী কৌশল নির্ধারণের কাজ।

ভাদুর ইউপি চেয়ারম্যান জাহিদ হোসেন ভুঁইয়া ও পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক মেয়র বেলাল আহম্মেদ বলেন, আমাদের এখন আর প্রচার-প্রচারণার কাজ নেই। এখন চলছে কীভাবে আমাদের প্রার্থীকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করতে পারবো। গত চার বছর আমরা ভোটারদের কাছে গিয়েছি, জনগণকে সুবিধা দিয়েছি। সুসংগঠিত কর্মী বাহিনী গঠন করার পাশাপাশি বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে প্রায় ৩০ কোটি টাকা খরচ করে উন্নয়নের ভিত রচনা করেছেন ড. আনোয়ার খান। দলমত নির্বিশেষে মানুষ নৌকা মার্কায় আওয়ামী লীগকে ভোট দেবে। ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী এলডিপি যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাহাদাত হোসেন সেলিম নির্বাচনী এলাকায় না থাকায় বার বার মোবাইলে চেষ্টা করেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনীত প্রার্থী ড. আনোয়ার হোসেন খান বলেন, আমার নির্বাচনী এলাকায় নিরলসভাবে কাজ করে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। এখন শুধু পেছন থেকে যেন কেউ ছুরি না মারতে পারে সেটা পর্যবেক্ষণ করছি। তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগ এ দেশের গণমানুষের দল। এ দেশের খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষের সমর্থন নিয়ে তরুণ প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত করতে হবে।