১৯৮৬ ও ২০২২ সালে ফুটবল বিশ্বকাপে অংশ নেয় কানাডা। দুই আসর মিলিয়ে গ্রুপ পর্বে ৬ ম্যাচ খেলে সবগুলো হেরেছে তারা। কোনো পয়েন্টই পায়নি। ২০২২ সালে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ৪-১ গোলে হেরে যায় কানাডা। তবে সেবার দলকে প্রথম গোল এনে দেন আলফোনসো ডেভিস।
এবার আয়োজক হিসেবে বিশ্বকাপে খেলতে নামছে কানাডা। শুক্রবার (১২ জুন) টরন্টোতে বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১টায় নিজেদের প্রথম ম্যাচে বসনিয়া-হার্জেগোভিনার বিপক্ষে মাঠে নামবে স্বাগতিকরা।

গ্রুপ তুলনামূলকভাবে সহজ হওয়ায় কানাডার সামনে বিশ্বকাপে প্রথম পয়েন্ট ও প্রথম জয়ের সুযোগ থাকছে। প্রায় চার বছর আগের কানাডার চেয়ে এই দল বেশ অভিজ্ঞ। ইতোমধ্যে উজবেকিস্তানকে ২-০ গোলে হারিয়েছে তারা, ১-১ গোলে ড্র করেছে আয়ারল্যান্ড প্রজাতন্ত্রের সঙ্গে। দুটি প্রীতি ম্যাচে দারুণ পারফরম্যান্স দেখিয়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে তারা।
তবে বসনিয়ার বিপক্ষে খেলতে পারবেন না কানাডার তারকা ফুটবলার আলফোনসো ডেভিস। যা কিছুটা চিন্তায় ফেলেছে স্বাগতিকদের। তবে ঘরের মাঠে খেলা হওয়ায় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ার স্বপ্ন দেখছে তারা।
অন্যদিকে, ২০১৪ সালে শেষবার বিশ্বকাপ খেলা স্কোয়াডের দুজন বসনিয়ান খেলোয়াড় এবার আছেন। ৪০ বছর বয়সী স্ট্রাইকার এডিন জেকো ও অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার সিড কোলাসিনাচ। এছাড়া পুরো দলটিই তরুণ। আর এই মঞ্চে আসার আগে বেশ কয়েকটি অঘটন ঘটিয়ে এসেছে।
কানাডার জন্য সবচেয়ে বড় খবর হলো, ফ্রান্সের নিস ক্লাবের হয়ে খেলা সেন্টার-ব্যাক মোইসে বোম্বিতো ফিট না থাকায় টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেছেন। যা বসনিয়ার জন্য একটা বড় ধাক্কা, কারণ বোম্বিতো সম্ভবত তাদের সেরা ডিফেন্ডার।

