প্রথমার্ধ বেশ হতাশার ছিল ফ্রান্সের জন্য। তেমন কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি তারা। তবে দ্বিতীয়ার্ধে নিজেদের চেনা ছন্দে ফিরে ফরাসি। দুর্দান্ত লড়াই শেষে ৩-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে দিদিয়ের দেশমের শিষ্যরা।
ফ্রান্সের হয়ে জোড়া গোল করেছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। এছাড়া একটি গোল করেন ব্র্যাডলি বারকোলা। ফ্রান্সের হয়ে নিজের গোলসংখ্যা ৫৮-তে নিয়ে গেছেন এমবাপ্পে। এতে দেশের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা অলিভিয়ে জিরুকে ছাড়িয়ে এককভাবে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে গেছেন এমবাপ্পে।
ম্যাচের শুরু থেকে ফ্রান্স-সেনেগাল সমানতালে খেলতে থাকে। তবে ফ্রান্সের চেয়ে বেশি সুযোগ তৈরি করেছে সেনেগাল। ম্যাচের ২৫ মিনিটে নিকোলাস জ্যাকসনের শট পোস্টে লেগে প্রতিহত হওয়ায় অল্পের জন্য গোল বঞ্চিত হয় সেনেগাল।
তারকা ঠাঁসা দল নিয়ে ভালো খেলতে পারেনি ফ্রান্স। তাদের চেয়ে সেনেগাল বরং বেশি উজ্জ্বল ছিল। গোলের একাধিক সুযোগও পেয়েছিল তারা। কিন্তু পোস্টের বাধা এবং ফিনিশিংয়ের ব্যর্থতায় প্রথমার্ধে গোল পায়নি আফ্রিকান দেশটি।
তবে দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ায় ফ্রান্স। ম্যাচের ৬৬ মিনিটে এমবাপ্পের গোলে এগিয়ে যায় দুবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। মাইকেল ওলিসের অ্যাসিস্টে দারুণ ফিনিশিংয়ে গোলটি করেছেন ফ্রান্স অধিনায়ক।
ম্যাচের ৮২ মিনিটে ফ্রান্সের লিড দ্বিগুণ করেন ব্র্যাডলি বারকোলা। আদ্রিয়াঁ রাবিওর লম্বা করে বাড়ানো থ্রু পাস ধরে ঠান্ডা মাথায় গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে বল জালে পাঠান এই পিএসজি তারকা।
এরপর এক গোল শোধ করে সেনেগাল। যোগ করা সময়ে ইব্রাহিমা এমবায়ে গোল করে ব্যবধান কমান। তবে যোগ করা সময়ের ৫ মিনিটের মাথায় ডি বক্সের বাইরে থেকে অবিশ্বাস্য এক শটে আবারও বল জালে জড়ান এমবাপ্পে।

