‘আকাশে মেঘ জমলেই বিদ্যুৎ থাকে না, বৃষ্টি হলে তো কথাই নেই’

আপডেট : ১১ আগস্ট ২০১৯, ১৭:৫২

সীমাহীন বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও লোডশেডিংয়ে গাইবান্ধায় জনজীবন অতিষ্ঠ। বিঘ্ন ঘটছে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায়, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ব্যবসা-বাণিজ্য। প্রচণ্ড গরমে বিদ্যুতের আসা-যাওয়ায় গাইবান্ধা শহরবাসী অতিষ্ঠ হয়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবিতে রবিবার দুপুরে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে।

পৌর শহীদ মিনার চত্বরে ভুক্তভোগী নাগরিক সমাজের ব্যানারে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংস্কৃতিক কর্মী, শিক্ষক, সাংবাদিক ও ব্যবসায়ীসহ সর্বস্তরের মানুষ স্বতঃস্ফূর্ত অংশ নেয়। 

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন গাইবান্ধা পৌর মেয়র অ্যাড. শাহ মাসুদ জাহাঙ্গীর কবীর মিলন, উদীচীর সভাপতি অধ্যক্ষ জহুরুল কাইয়ুম, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর সাবু, কবি ও গীতিকার অমিতাভ দাশ হিমুন, সাংস্কৃতিক কর্মী দেবাশীষ দাশ দেবু, অ্যাড. জিএসম আলমগীর, অ্যাড. সিরাজুল ইসলাম বাবু, সমাজ কর্মী মোদাচ্ছেরুজ্জামান মিলু, রায়হান চৌধুরী, রিপন চৌধুরী, শামীম আরা মিনা, তৌফিক আল মান্নান প্রমুখ। 

আরও পড়ুন: ঈদের জামাত কখন কোথায়

বক্তারা বলেন, আকাশে মেঘ হলেই গাইবান্ধায় বিদ্যুৎ চলে যায়। আর বৃষ্টি শুরু হলে তো কথায় নেই। বৃষ্টি থামার পরেও এক থেকে দুই ঘণ্টা এমনকি টানা ৪ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকে। অথচ দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যাপক উন্নতি হলেও গাইবান্ধায় দীর্ঘদিন যাবত বিদ্যুৎ সরবরাহের কোনো উন্নতি তো হয়নি। উপরন্তু অবনতি হয়েছে। বিশেষ করে নেসকো নামে একটি বেসরকারি লিমিটেড কোম্পানি গাইবান্ধায় বিদ্যুৎ সরবরাহের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এই অবস্থার চরম অবনতি হয়েছে।

বক্তারা আরও বলেন, এ নিয়ে বিদ্যুৎ অভিযোগ কেন্দ্রে টেলিফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে ফোন রিসিভ করা হয় না। অবিলম্বে জেলার বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থার উন্নতি ঘটিয়ে জেলা শহরসহ গ্রামাঞ্চলগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা হোক। 

ইত্তেফাক/অনি