সমালোচনার মুখে ব্যাংক রেজল্যুশন আইনের ১৮ (ক) ধারা বাতিল

আপডেট : ২৯ জুন ২০২৬, ১৯:৩৯

ব্যাংক রেজল্যুশন আইনের ‘বিতর্কিত’ ১৮(ক) ধারা বাদ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সমাপনী বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।

তিনি বলেছেন, ‘অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে সরকার ধারাটি বিলোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমাদের বার্তা স্পষ্ট— যারা জনগণের সম্পদ লুট করেছেন, তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। অন্যদিকে আমানতকারীদের আমানতের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে।’

বিএনপি সরকার গত ১০ এপ্রিল অন্তর্বর্তী সরকারের করা ব্যাংক রেজোল্যুশন অধ্যাদেশটি আইনে পরিণত করে। আইনটি সংসদে পাসের আগে ১৮(ক) নামে একটি নতুন ধারা যুক্ত করা হয়।

ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬-এর ১৮(এ) ধারা অনুযায়ী, একীভূত হওয়া বা একীভূতকরণের জন্য তালিকাভুক্ত ব্যাংকের সাবেক মালিকরা তুলনামূলক সহজ শর্তে আবারও ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার সুযোগ পান।

এ বিধানকে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যাংক খাতের সংস্কার থেকে সরে আসার পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আইন অনুযায়ী, একীভূত হওয়া বা একীভূতকরণের তালিকাভুক্ত ব্যাংকের সাবেক পরিচালক বা মালিকেরা সরকার বা বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া মূলধন সহায়তার ৭ দশমিক ৫ শতাংশ অগ্রিম পরিশোধ করে ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাবেন। বাকি ৯২ দশমিক ৫ শতাংশ অর্থ দুই বছরের মধ্যে ১০ শতাংশ সরল সুদে পরিশোধ করতে হবে।

ব্যাংক রেজোল্যুশন আইনে নতুন ধারাটি যুক্ত করার পর বিতর্ক তৈরি হয়। সংসদে বিরোধী দলগুলোর পক্ষ থেকে বলা হয়, এস আলমসহ বিতর্কিত ব্যবসায়ীদের হাতে ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে দিতেই এই ধারা যুক্ত করা হয়েছে।

 
ইত্তেফাক/এমএসআর