মেঘনা নদী থেকে বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার

আপডেট : ০১ জুলাই ২০২৬, ১০:২০

কিশোরগঞ্জের ভৈরবের মেঘনা নদী থেকে আনুমানিক ৪০ বছর বয়সী এক অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ-থানা পুলিশ। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের দিকে ভৈরব শহরের পলতাকান্দা হাজী আসমত আলী ঘাট এলাকার নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, নদীর পাড়ে একটি বস্তা ভাসতে দেখে তাদের সন্দেহ হয়। পরে কাছে গিয়ে সেটির ভেতরে মানুষের মরদেহ রয়েছে বুঝতে পেরে তারা পুলিশকে খবর দেন।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেলে ভৈরব শহরের পলতাকান্দা হাজী আসমত আলী ঘাটের পাশে নদীতে একটি প্লাস্টিকের বস্তা ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বস্তাটি ঘাটের কাছাকাছি চলে আসে এবং সেটি থেকে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়াতে থাকে। বিষয়টি দেখে সন্দেহ হলে এলাকাবাসী তাৎক্ষণিকভাবে ভৈরব নৌ-থানা পুলিশকে খবর দেয়।

পরে সংবাদ পেয়ে সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে নৌ-থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ সদস্যরা ভাসমান বস্তাটি টেনে নদীর তীরে আনেন। এরপর বস্তার মুখ খুলতেই ভেতর থেকে এক অজ্ঞাত যুবকের বিকৃত মরদেহ বেরিয়ে আসে। পুলিশ মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য থানায় নিয়ে যায়। মরদেহের পরনে একটি লুঙ্গি ছাড়া আর কোনো পোশাক বা জিনিসপত্র ছিল না।

হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন এবং নিহতের পরিচয় নিশ্চিত করতে আশেপাশের সবকটি থানায় ইতোমধ্যেই বার্তা (মেসেজ) পাঠিয়েছে পুলিশ বলে জানা গেছে।

নৌ-পুলিশের উপ-পরিদর্শক কামরুল হাসান বলেন, মরদেহটি বস্তাবন্দি অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। দুর্বৃত্তরা হত্যার পর পরিচয় গোপনের উদ্দেশ্যে মরদেহ বস্তাবন্দি করে নদীতে ফেলে দিতে পারে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

 

ইত্তেফাক/এনটিএম