দ্বিতীয়ার্ধে ১-১ গোলের সমতায় চলছিল ম্যাচ। তখন ৫৭ মিনিটের মাথায় ইংল্যান্ডের জালে বল জড়ান নরওয়ের টর্বজর্ন হেগেম। এই এক গোল ঘুরিয়ে দিতে পারতো পুরো ম্যাচের মোড়। তবে ভিএআর সিদ্ধান্তে বাতিল হয় গোলটি। যা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নরওয়ের তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ডের বাবা আলফ-ইঙ্গে হালান্ড। তার দাবি, গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে রেফারির সিদ্ধান্তই ইংল্যান্ডকে ম্যাচে টিকিয়ে রেখেছে এবং নরওয়ের সঙ্গে অন্যায় করা হয়েছে।
যদিও ভিএআর পর্যালোচনায় দেখা যায়, গোল হওয়ার আগে হালান্ড এলিয়ট অ্যান্ডারসনকে ধাক্কা দিয়েছিলেন। সেই কারণে গোলটি বাতিল করেন ফরাসি রেফারি ক্লেমেন্ট টারপিন। নরওয়ের গোল বাতিল হওয়ার পর গ্যালারিতে বসে ম্যাচ দেখা আলিং হালান্ডের বাবা আলফ-ইঙ্গে হালান্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, 'রেফারির কারণে ইংল্যান্ড বেঁচে গেছে। আশা করি তারা বিশ্বকাপ জিতবে, কিন্তু আজ নরওয়ের সঙ্গে অন্যায় হয়েছে।' আরেকটি পোস্টে তিনি লেখেন, 'সাবাস বেলিংহাম, আর রেফারি।'
ম্যাচে আরও একটি বিতর্ক তৈরি হয় ইংল্যান্ডের সমতাসূচক গোলের আগে। নরওয়ের গোলরক্ষক ওরিয়ান নাইল্যান্ডের গোল-কিক স্টেডিয়ামের ওপরের একটি তারে লেগেছিল বলে দাবি করে নরওয়ে। সেই বল থেকেই আক্রমণ গড়ে সমতা ফেরায় ইংল্যান্ড। তবে ফিফা পরে জানায়, সংযুক্ত বলের সেন্সর ও 'স্নিকো' প্রযুক্তিতে বলটি তারে স্পর্শ করার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলে রেফারির সিদ্ধান্তই বহাল থাকে।
নরওয়ের হেড কোচ স্টালে সোলবাকেনও এই সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। বলেন, 'বলটি আমাদের বেঞ্চের সামনেই নিচে নেমে এসেছিল। আমাদের কাছে স্পষ্ট মনে হয়েছে এটি তারে লেগেছিল। কিন্তু ফিফা বলছে প্রমাণ নেই, তাই রেফারিও কিছু করতে পারেননি।'
অন্যদিকে এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে অতিরিক্ত সময়ের খেলায় দুর্দান্ত ফর্মে থাকা হালান্ডকে তুলে নেওয়ার বিষয়টিকে অনেকে ভালো সিদ্ধান্ত বলে মনে করছেন না। তবে নরওয়ে কোচ জানান, হালান্ডকে আরও আগেই তুলে নেওয়া উচিত ছিল। বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সোলবাকেন বলেন, 'আর্লিং প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছিল। সত্যি বলতে, ১০ মিনিট আগেই তাকে বদলি করা উচিত ছিল।'

