আইসক্রিম খাওয়া-খাওয়ানোর দিন আজ

আপডেট : ১৯ জুলাই ২০২৬, ১৫:২৫

আইসক্রিমের স্বাদের জগৎ বেশ বৈচিত্র্যময়। ভ্যানিলা, গাঢ় চকোলেট, মিষ্টি স্ট্রবেরি, সুগন্ধি পেস্তা—কত যে স্বাদ! শুধু কাপ বা কোনেই নয়, আইসক্রিম দিয়ে তৈরি হয় কেক, স্যান্ডউইচ, মিল্কশেক। আছে বিখ্যাত বানানা স্প্লিটের মতো দারুণ সব ডেজার্টও।

আজ জুলাই মাসের তৃতীয় রোববার, বিশ্বজুড়ে এই দিন আইসক্রিম প্রেমীদের কাছে এক বিশেষ দিবস হিসেবে পরিচিত। ১৯৮৪ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দিবসটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। তৎকালীন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রেগান দেশটির জনপ্রিয় এই মিষ্টান্নকে সম্মান জানাতে জুলাই মাসকে ‘জাতীয় আইসক্রিম মাস’ এবং জুলাইয়ের তৃতীয় রোববারকে ‘জাতীয় আইসক্রিম দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেন।

এই দিবসটি উদযাপনের সবচেয়ে মজার উপায় কী? খুব সহজ। পরিবারের সবাইকে নিয়ে আইসক্রিম খাওয়া। বন্ধুদের সঙ্গে ছোট্ট আইসক্রিম পার্টি করা। কিংবা নিজের হাতে নতুন স্বাদের আইসক্রিম বানানোর চেষ্টা করা। ফল, বাদাম, চকোলেট বা নিজের সবচেয়ে প্রিয় উপকরণগুলো একসঙ্গে মিশিয়ে তৈরি হতে পারে একেবারে নতুন একটি স্বাদ।


 


পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মার্কিনরা বিশ্বের সবচেয়ে বেশি আইসক্রিম ভোগকারী জাতি, যেখানে মাথাপিছু বছরে ২৩ গ্যালন আইসক্রিম খাওয়া হয়। ধীরে ধীরে এই দিবসটি বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তা লাভ করে এবং আইসক্রিমের সমৃদ্ধ ইতিহাস ও বৈচিত্র্যময় স্বাদ উদযাপনের একটি আন্তর্জাতিক সুযোগে পরিণত হয়।

আইসক্রিম দিবস শুধুমাত্র একটি মিষ্টি খাওয়ার দিন নয়; এটি নস্টালজিয়া, সৃজনশীলতা এবং সামাজিক সম্প্রীতির প্রতীক। শৈশবের সেই প্রিয় ভ্যানিলা ফ্লেভার থেকে শুরু করে আধুনিক সময়ের উদ্ভাবনী সব বিচিত্র স্বাদ; আইসক্রিম আমাদের যাপিত জীবনের প্রতিটি উদযাপনের সঙ্গী। এটি একটি বহুমুখী খাবার যার মসৃণ বুনট এবং শীতল স্বাদ যেকোনো ঋতুতে পরিপূর্ণ তৃপ্তি দেয়।

কীভাবে উদযাপন করবেন আজকের দিনটি?

আপনার আজকের দিনটিকে আনন্দময় করে তুলতে অনুসরণ করতে পারেন এই সহজ উপায়গুলো:

নতুন স্বাদ অন্বেষণ: আপনার প্রিয় আইসক্রিম পার্লারে গিয়ে এমন কোনো ফ্লেভার ট্রাই করুন যা আগে কখনও খাওয়া হয়নি।
বাড়িতে তৈরি আইসক্রিম: পরিবারের সাথে মিলে ঘরেই তৈরি করে ফেলুন স্বাস্থ্যকর এবং পছন্দমতো স্বাদের আইসক্রিম।
আইসক্রিম পার্টি: বন্ধু বা আত্মীয়দের নিয়ে আইসক্রিম পার্টির আয়োজন করুন, যেখানে থাকবে বিভিন্ন রকমের টপিংস এবং কোন।

উদ্ভাবনী রেসিপি: সাধারণ আইসক্রিমকে নতুন রূপ দিতে মিল্কশেক বা আইসক্রিম স্যান্ডউইচ তৈরি করতে পারেন।
স্মৃতি ভাগ করে নেওয়া: আপনার প্রিয় কোনো আইসক্রিম খাওয়ার মুহূর্ত বা ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে অন্যদেরও উৎসাহিত করুন।

আইসক্রিম দিবস মূলত আমাদের মনে করিয়ে দেয় জীবনের ছোট ছোট আনন্দগুলোকে খুঁজে নেওয়ার কথা। তাই আজকের এই বিশেষ দিনে নিজেকে একটি স্কুপ আইসক্রিম উপহার দিতে ভুলবেন না। দিনটি হোক শীতল, মিষ্টি এবং আনন্দঘন।

 

 

ইত্তেফাক/পিএস

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন