কুয়েত ও কাতারে মার্কিন ঘাঁটিতে ড্রোন হামলার দাবি ইরানের

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২৬, ১৭:০০

কুয়েত ও কাতারে অবস্থিত একাধিক মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে আত্মঘাতী ‘আরাশ’ ড্রোন দিয়ে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। দেশটির সেনাবাহিনীর দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের ‘শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ডের’ জবাব হিসেবেই এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

ইরানি সংবাদ সংস্থা মেহেরের বরাত দিয়ে শুক্রবার (২৪ জুলাই) এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইরানের সেনাবাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়, অভিযানে কুয়েতের ক্যাম্প উদাইরি, দোহা ক্যাম্প এবং ক্যাম্প আরিফজানকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। এসব ঘাঁটিতে মার্কিন বাহিনীর সরঞ্জাম সংরক্ষণাগার, সেনাদের অবস্থান এবং সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘আগ্রাসী শত্রুর’ হামলার জবাব হিসেবে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে সতর্ক করে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে ইরান আরও ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাবে।

ইরানের সেনাবাহিনীর দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের হুমকি দেশটির জনগণ ও সশস্ত্র বাহিনীর মনোবল দুর্বল না করে বরং আরও শক্তিশালী করবে। তারা আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আরও দৃঢ় প্রতিরোধ গড়ে তুলবে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

এ ছাড়া ইরান সতর্ক করে জানায়, নতুন কোনো সামরিক অভিযান বা নতুন যুদ্ধফ্রন্ট খোলার চেষ্টা প্রতিপক্ষের জন্য কৌশলগত ভুল হবে এবং এর পরিণতিতে তারা আরও বড় ক্ষতির মুখে পড়বে।

এর আগে ‘অপারেশন থান্ডারবোল্ট’-এর ২৪তম ধাপে বাহরাইন ও জর্ডানে মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ‘আরাশ’ ড্রোন দিয়ে হামলার দাবিও করেছিল ইরান। সে সময় বাহরাইনের শেখ ইসা বিমানঘাঁটির জ্বালানি সংরক্ষণাগার, সরঞ্জাম গুদাম ও সেনাদের আবাসন এলাকা এবং জর্ডানের আল-আজরাক বিমানঘাঁটির বিমান হ্যাঙ্গার, রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্র ও আবাসন এলাকাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

তবে কুয়েত, কাতার বা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানের সর্বশেষ এসব হামলার দাবির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য বা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া তথ্য পাওয়া যায়নি।

ইত্তেফাক/এসজে