ইরাকের এরবিলে যুক্তরাষ্ট্রের ‘প্রায় সব’ সামরিক অবকাঠামো ধ্বংসের দাবি ইরানের

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১:০৮

ইরাকের এরবিলে মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার দাবি করেছে ইরান। দেশটির সেনাবাহিনীর ভাষ্য, সাম্প্রতিক সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অবকাঠামোর প্রায় পুরোটাই ধ্বংস হয়েছে। পাশাপাশি নতুন ও আরও শক্তিশালী আক্রমণাত্মক ড্রোন মোতায়েনের কথাও জানিয়েছে তেহরান।

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া বক্তব্যে দেশটির সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ রেজা আকরামিনিয়া দাবি করেন, ওই অঞ্চলে ইরানের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোতে গুরুতর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। 

তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানি হামলায় এসব ঘাঁটির অনেকগুলোই তাদের কার্যক্রম পরিচালনার সক্ষমতা অনেকাংশে হারিয়েছে ফেলেছে।

তিনি আরও দাবি করেন, এরবিলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অবকাঠামোর ‘প্রায় পুরোটাই’ ধ্বংস করা হয়েছে এবং সেখানে তৎপর ইরানবিরোধী গোষ্ঠীগুলোর এখন আর অভিযান চালানোর সক্ষমতা নেই।

আকরামিনিয়া বলেন, ওই অঞ্চলের পাশাপাশি দক্ষিণ ইউরোপ ও ভূমধ্যসাগরীয় এলাকাজুড়েও যুক্তরাষ্ট্রের বিপুল সামরিক সক্ষমতা, সরঞ্জাম ও ঘাঁটি রয়েছে। পাশাপাশি তারা সাম্প্রতিক ক্ষয়ক্ষতি পুষিয়ে নিতে কাজ করছে বলেও তিনি দাবি করেন।

তিনি সতর্ক করে বলেন, সংঘাত আবার শুরু হলে ইরান সামরিক অভিযান চালিয়ে যেতে প্রস্তুত। 

তিনি বলেন, আমেরিকানরা যতক্ষণ না বুঝবে যে, আগ্রাসনের মাধ্যমে তারা ইরানি জাতির ওপর নিজেদের ইচ্ছা চাপিয়ে দিতে পারবে না, ততক্ষণ পর্যন্ত এ অভিযান চলবে।

মুখপাত্র আরও দাবি করেন, ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের সামরিক বাহিনী আরাশ-২ ড্রোন ব্যবহার করলেও এখন তারা আরও বেশি ধ্বংসাত্মক, নির্ভুলতাসম্পন্ন ও দূরপাল্লার নতুন ড্রোন মোতায়েন করছে।

ইত্তেফাক/ আরএইচ