নিকলীতে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়

আপডেট : ১৬ আগস্ট ২০১৯, ২০:৫৪

নিকলী (কিশোরগঞ্জ) সংবাদদাতা

হাওরবেষ্টিত নিকলী উপজেলার বেড়িবাঁধে প্রতি বছরের মতো এবারও মেঘ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে পর্যটকদের উপচেপড়া ভিড় ছিল। পর্যটকদের সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ সদস্যদের।

কিশোরগঞ্জের হাওর-অধ্যুষিত চার উপজেলা হলো নিকলী, মিঠামইন, ইটনা ও অষ্টগ্রাম। এর মধ্যে একমাত্র নিকলী সদরের সঙ্গে ঢাকা ও জেলা সদরের সড়ক যোগাযোগ রয়েছে। অন্য তিন উপজেলায় যাতায়াতের এক মাত্র মাধ্যম হলো ইঞ্জিনচালিত নৌকা কিংবা লঞ্চ।

নিকলী উপজেলা সদরকে রক্ষায় ২০০০ সালে নির্মিত হয় পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ বেড়িবাঁধ। বর্ষায় এই বাঁধে হাওরের ঢেউ সমুদ্র সৈকতের অনুভূতি এনে দেয়। গাছের ডালে পাখির কিচিরমিচির। এ ছাড়া রয়েছে খান মোহাম্মদ উলু খানের মসজিদ, চন্দ্রনাথ গোস্বামীর আখড়া, নারায়ণ গোস্বামীর আখড়া, লাল গোস্বামীর আখড়া ৪০০ বছরের বটবৃক্ষের নিচে কালী মন্দির, হাজী সাহেবের মাজার, মামুদচাঁন ফকিরের মাজার, কানাই শাহ মাজার সাহেব পীরের মাজার। আর আছে ঈশা খার স্মৃতিধন্য আদুরিনাথ গোস্বামীর আশ্রম ইত্যাদি।

নিকলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাসির উদ্দিন ভূঁইয়া গত বুধবার দুপুরে বলেন, প্রায় ১৫ বছর ধরে কিশোরগঞ্জের নিকলীর হাওরের দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে প্রচুর পর্যটক আসছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ঈদের এক দিন থেকে ছয় দিন পর্যন্ত এখানে ২৪ ঘণ্টা পুলিশ নিয়োজিত রাখতে হয়।

নিকলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুছাম্মত্ শাহীনা আক্তার বলেন, ঈদের দিন থেকে পাঁচ দিন পর্যন্ত প্রতিদিন প্রায় ২০/২৫ হাজার লোকের সমাগম ঘটে। এত মানুষের ভিড় দেখে আমি অবাক।