সাম্প্রতিক সময়ে ঘরের মাঠে দাপট দেখিয়ে চারটি সিরিজ জিতেছিল বাংলাদেশ। যেখানে প্রতিপক্ষের তালিকায় ছিল অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তানের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষ। তবে সবশেষ জিম্বাবুয়ে সফরে স্বাগতিকদের কাছে অসহায় আত্মসমাপণ করেছিল বাংলাদেশ। ওয়ানডে সিরিজ হারার পাশাপাশি একমাত্র টেস্টও হেরেছিল ইনিংস ব্যবধানে। যেখানে বাংলাদেশের ব্যাটিং ব্যর্থতা ছিল স্পষ্ট।
গতকাল সংবাদ সম্মেলনে জিম্বাবুয়ে সিরিজের ভারাডুবি নিয়ে বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল জানান, প্রতি সিরিজের পর ক্রিকেটার বা টিম ম্যানেজমেন্টকে জবাবদিহি করার পক্ষে নন তিনি। ছয় মাসের পরিকল্পনা নিয়ে এগোনোর পক্ষে বিসিবি বস। বিষয়টি নিয়ে তামিম বলেন, 'একটা সিরিজ জিতবে, তারপর বোনাস দেব। আবার হারলে ডেকে এনে প্রশ্ন করব। আমি এটা পছন্দ করি না। ক্রিকেট এভাবে চলে না। আমাদের ছয় মাসের জন্য পরিকল্পনা দিতে হবে। তারপর এটা মূল্যায়ন হবে।'
সম্প্রতি একাধিক ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, আবারও দ্বিপাক্ষিক সিরিজ আয়োজনে একসঙ্গে কাজ করছে বিসিবি ও বিসিসিআই। প্রতিবেদনে আরো উল্লেখ ছিল, ভারতীয় সরকারের তরফ থেকে সবুজ সংকেত পেলেই বাংলাদেশ সফরে আসবে ভারত। তবে ভারতের বিপক্ষে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ নিয়ে তামিম জানান, বিষয়টি নিয়ে তেমন কিছু জানেন না তিনি। তবে বিসিসিআইয়ের সঙ্গে যোগযোগ রাখছে বিসিবি। তামিমও আশাবাদী ভারত বাংলাদেশ সফরে আসবে। ভারত সিরিজ নিয়ে বিসিবি বস বলেন, 'আমার সবার সঙ্গে কথা হচ্ছে। সবাইকে বোঝানোর চেষ্টা করছি। কিন্তু কিছু জিনিস আমার নিয়ন্ত্রণের বাইরে। তবে আমি এটুকু বলতে পারি, ভারতের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা হচ্ছে। খুব দ্রুতই জানতে পারব।
গেল কয়েক দিন আগে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের কোচ নিয়োগের পরীক্ষা নিয়েছিল বিসিবি। স্থানীয় কোচ নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অনুরোধ গ্রহণ করা হবে না বলে জানিয়েছেন বিসিবি বস। লিখিত ও প্র্যাক্টিক্যাল পরীক্ষায় পাশ করলেই তাদের ভাইভায়ের জন্য ডাকা হবে। তবে জেলা ও বিভাগীয় কোচদের অবস্থা তুলে তিনি তামিম ইকবাল বলেন, 'কোচদের পরীক্ষার খাতা দেখলাম। প্রশ্ন ছিল, ওয়াইড বলে কী কী আউট হয়। একজনের উত্তর দেখলাম, বোল্ড আর এলবিডব্লিউ।' এছাড়াও সংবাদ সম্মেলনে তামিম জানান, নিজেদের ফান্ড ব্যবহার করে পূর্বাচলে সেন্টার অব এক্সিলেন্স বানাবে বিসিবি। সেসঙ্গে পূর্বাচলে স্টেডিয়াম নির্মাণ নিয়ে বিসিবি সভাপতি জানান, সরকারের তরফ থেকে ফান্ড পেলেই কাজ শুরু করবেন তারা।

