তেহরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বৃদ্ধি করার লক্ষ্য নিয়ে ইরানের বিরুদ্ধে স্থল অবরোধ আরোপের সম্ভাব্য উপায় বিবেচনা করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। চলতি সপ্তাহে হোয়াইট হাউসে আয়োজিত বৈঠকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সচল ও অসচল উভয় উপায়ে ইরানের ওপর চাপ বাড়ানোর নানা কৌশল নিয়ে আলোচনা করেছেন।
শনিবার (১ আগস্ট) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফের এক প্রতিবেদনে জ্যেষ্ঠ ইসরায়েলি ও মার্কিন সূত্রের বরাতে এই খবরের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রস্তাবিত এই কৌশলের মূল উদ্দেশ্য হলো ইরানের সীমান্তবর্তী দেশগুলোকে রাজি করিয়ে প্রধান প্রধান স্থল সীমান্ত পথগুলো বন্ধ অথবা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা, যাতে দেশটির আমদানি ও রপ্তানি বাণিজ্য বাধাগ্রস্ত হয়। ইসরায়েলের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান যে পণ্য প্রবেশ ও বের হওয়া আটকে দিতে পারলে তা ইরানের অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা দেবে। অন্যদিকে অবসরপ্রাপ্ত মার্কিন লেফটেন্যান্ট জেনারেল শন ম্যাকফারল্যান্ড মন্তব্য করেন যে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা কঠিন হলেও তা তেহরানকে অর্থনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন করতে সহায়তা করবে।
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুই দেশের শীর্ষ নেতা কেবল স্থল অবরোধই নয়, বরং কূটনৈতিক সমঝোতা চেষ্টা, সমুদ্রে বর্তমান নৌ অবরোধ বহাল রাখা এবং প্রয়োজনে পুনরায় সামরিক হামলা শুরু করার মতো বিকল্পগুলো নিয়েও আলোচনা করেছেন। তবে এই স্থল অবরোধের প্রস্তাবটি প্রাথমিক আলোচনার গণ্ডি পেরিয়ে বাস্তবে রূপ নেবে কি না তা এখনও স্পষ্ট নয়।
তথ্যসূত্র: গালফ নিউজ

