নয়টি উপজেলার ছোট-বড় বিলের সমন্বয়ে গঠিত চলনবিল। এটি দেশের সর্ববৃহৎ বিল। নাটোরের সিংড়া উপজেলার পূর্ব-দক্ষিণ অংশ জুড়ে চলনবিল। দেশের অন্য বিল থেকে এর পার্থক্য হলো, এটি খরস্রোতা। বিলের পানি চলমান। চলন নাম থেকে বিলটির নামকরণ হয় চলনবিল।
বর্ষা মৌসুম ও ঈদকে কেন্দ্র করে চলনবিলে ভ্রমণ পিপাসুদের ঢল নেমেছে। ঈদের ছুটিতে বিভিন্ন বয়সের হাজারও মানুষ প্রকৃতির এই সৌন্দর্য উপভোগ করতে ছুটে আসছেন এখানে। বর্ষাকালে বিলের ভেতরের গ্রাম গুলো দেখতে দ্বীপের মত মনে হয়। পাশ দিয়ে ডুবে যাওয়া রাস্তায় হেঁটে বেড়ানোসহ বিলের পানিতে সাঁতার কাটা, নৌকায় ঘুরেবেড়িয়ে সময় কাটাচ্ছেন দর্শনার্থীরা।
চলছে জলকেলি। ছবি: সংগৃহীত
পাবনা, নাটোর, সিরাজগঞ্জ, নওগাঁ জেলার অংশজুড়ে এ বিলের বিস্তৃতি। বর্ষা মৌসুমে অসংখ্য খাল দিয়ে এ বিলে পানি প্রবেশ করে। শুক্রবারে থাকে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। আশপাশের এলাকাসহ সারাদেশের দূর-দুরান্তের মানুষ ভ্রমণ করতে আসছেন এখানে।
চলনবিল সিংড়ায় পর্যটকদের চাহিদা মেটাতে গড়ে উঠেছে চলনবিল পর্যটন পার্ক। শিশুদের জন্য রয়েছে বিভিন্ন রাইড। অপরদিকে চলনবিলে ঘাসি দেওয়ান (রহ:) এর মাজার রয়েছে। যেখানে প্রতি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাউলদের গানের আসর বসে। এখানে মানত করতে আসেন হাজারও ভক্ত। বর্তমানে আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে চলনবিল।
ইত্তেফাক/অনি
