ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিন দিন ধরে চলছে তীব্র গ্যাসের সংকট। গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় জেলার প্রায় ২৬ হাজার আবাসিক ও বাণিজ্যিক গ্রাহক দুর্ভোগে পড়েছেন। গ্যাসের অভাবে বন্ধ রয়েছে পাঁচটি ফিলিং স্টেশন ও ১৭টি গ্যাসনির্ভর শিল্পকারখানা।
এলএনজি সংকট ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে মহেশখালীর ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট (এফএসআরইউ) থেকে গ্যাস সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় এ সংকট তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি।
গত বুধবার দুপুর থেকে জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের গ্রাহকের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। এতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন আবাসিক গ্রাহকেরা। বাসাবাড়িতে গ্যাস না থাকায় বিভিন্ন এলাকায় মাটির চুলা ও সিলিন্ডার গ্যাস ব্যবহার করে রান্না করতে হচ্ছে। হঠাৎ গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনেকটা বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।
কিছু এলাকায় স্বল্প পরিসরে গ্যাস সরবরাহ থাকলেও চাপ খুবই কম। এতে হোটেল-রেস্তোরাঁগুলোতেও চাপ বেড়েছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশনের উপমহাব্যবস্থাপক (বিক্রয়) প্রকৌশলী মো. শফিকুল হক বলেন, জেলায় আবাসিক ও বাণিজ্যিক মিলিয়ে প্রায় ২৬ হাজার গ্রাহক রয়েছে। মহেশখালীর এফএসআরইউতে গ্যাসিফিকেশনের জন্য আমদানি করা এলএনজি বঙ্গোপসাগরে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে লোডিং করা যাচ্ছে না। ফলে গ্যাসের সরবরাহ ও চাপ কমে গিয়ে এ সংকট দেখা দিয়েছে।
তিনি বলেন, সংকট কখন পুরোপুরি কাটবে, তা এখনই বলা যাচ্ছে না।

