জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলা কমপ্লেক্সের সামনে টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইনস্টিটিউটের একমাত্র গেটের ওপর ঝুঁকিপূর্ণভাবে হেলে থাকা গাছটি তিন মাসেও অপসারণ করা হয়নি। বিদ্যুতের খুঁটি ও ট্রান্সফরমারের ওপর ভর করে থাকা গাছটির নিচ দিয়ে প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছেন পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী ও শিক্ষক। যেকোনো সময় গাছটি ভেঙে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা স্থানীয়দের।
জানা গেছে, বকশীগঞ্জ-জামালপুর মহাসড়কের পাশে উপজেলা পরিষদের সামনে বকশীগঞ্জ টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইনস্টিটিউটের একমাত্র প্রবেশপথ। ওই গেটের বরাবর একটি বড় সরকারি গাছ বাতাসে উপড়ে গিয়ে হেলে পড়ে। গাছটির অগ্রভাগে রয়েছে বিদ্যুতের দুটি ট্রান্সফরমার ও খুঁটি। বর্তমানে বিদ্যুতের খুঁটি ও ট্রান্সফরমারের ওপর ভর করে গাছটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।
এ অবস্থায় গাছটির নিচ দিয়েই প্রতিদিন প্রায় ৫০০ শিক্ষার্থী ও শিক্ষক প্রতিষ্ঠানটিতে যাতায়াত করছেন। একই সঙ্গে গাছটি মহাসড়কের পাশেই থাকায় এটি ভেঙে পড়লে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, পথচারী ও যানবাহন দুর্ঘটনার শিকার হতে পারেন। গাছটি ভেঙে পড়লে বিদ্যুতের খুঁটি ও ট্রান্সফরমারও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী সাবরিনা খাতুন বলেন, ‘গাছটি দ্রুত অপসারণ করা জরুরি। প্রতিদিন আমরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করি। যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। দুর্ঘটনা ঘটার আগে গাছটি অপসারণ করা হলে আমাদের একমাত্র গেটটি ঝুঁকিমুক্ত হবে।’
আরেক শিক্ষার্থী নাসিম উদ্দিন বলেন, ‘উপজেলা প্রশাসনের সামনেই গাছটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে। কত বড় দুর্ঘটনা ঘটলে গাছটি অপসারণ করা হবে? ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার আগেই গাছটি অপসারণ করা জরুরি। তা না হলে প্রাণহানিসহ বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।’
বকশীগঞ্জ টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইনস্টিটিউটের দায়িত্বপ্রাপ্ত সুপার তসলিম হোসেন খান বলেন, গাছটি অপসারণের জন্য একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। গত ২৫ এপ্রিলও গাছটি অপসারণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। কিন্তু এখনো গাছটি অপসারণ করা হয়নি। দুর্ঘটনা এড়াতে দ্রুত গাছটি অপসারণ করা জরুরি।

