সহকারি কোচের সঙ্গে কাটাকাটি ও ধাক্কাধাক্কি করার পর ৯৯৯-এ ফোন দিয়ে টিম হোটেলে পুলিশ ডাকেন বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ দলের প্রধান কোচ জেরার্ড জোন্স। এমন ঘটনার পর আবারও নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ এনেছেন তিনি।
সোমবার (২৪ আগস্ট) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশ করা এক ভিডিও বার্তায় কর্মক্ষেত্রে শারীরিক হামলার অভিযোগ করেছেন এই বাংলাদেশের এই ব্রিটিশ কোচ। একই সঙ্গে দাবি করেছেন, পরিস্থিতির কারণে তাকে পুলিশের সহায়তা নিতে হয়েছে।
জেরার্ড জোন্স বলেন, ‘কর্মক্ষেত্রে আমার ওপর হামলা চালানো হয়েছে। আত্মরক্ষার্থেই আমাকে পুলিশ ডাকতে হয়েছিল। আমি বাফুফেকে (বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন) আমার প্রাপ্ত আঘাতের ছবি পাঠিয়ে বিষয়টি জানিয়েছিলাম, কিন্তু সেখান থেকে কোনো সাহায্য বা সমর্থন পাইনি। আমি এখনও নিরাপদবোধ করছি না। এমন একটি দেশে আছি যেখানে প্রতিনিয়ত সাহায্যের জন্য আকুতি জানাতে হচ্ছে।’
এ দিকে গোলকিপিং কোচের সঙ্গে তার সম্পর্ক খারাপ—এমন খবরও অস্বীকার করেছেন জোন্স। তিনি বলেন, ‘গোলরক্ষক কোচের সঙ্গে আমার কোনো বিরোধ নেই। আমাদের সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার। আমরা হাসাহাসি করি, একে অপরের রুমে যাতায়াত করি এবং ম্যাচে কৌশলগত বিষয় শেয়ার করি। কিন্তু একটি পক্ষ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা করছে।’
ঘটনার পেছনে কারও ব্যক্তিগত স্বার্থ থাকতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন জোন্স। তিনি বলেন, ‘আমার পুরো ক্যারিয়ারে কখনোই কাজের জায়গায় শারীরিক আক্রমণের শিকার হতে হয়নি বা সুরক্ষার জন্য পুলিশ কিংবা ব্রিটিশ দূতাবাসের সহায়তা নিতে হয়নি। যখন এএফসি প্রতিযোগিতায় ভালো কিছু করার সুবর্ণ সুযোগ রয়েছে, তখন কেন এমনটা করা হচ্ছে তা বোধগম্য নয়।’

