রোগীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে নেত্রকোনার কেন্দুয়া পৌর শহরে জননী মেডিক্যাল হল নামে একটি ফার্মেসিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ভুয়া এক চিকিত্সককে এক লাখ টাকা জরিমানাসহ এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। শনিবার ওই ভুয়া চিকিত্সককে আদালতের মাধ্যমে নেত্রকোনা জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে গত শুক্রবার রাত আটটায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিরিন সুলতানা কেন্দুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামানকে সঙ্গে নিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ দণ্ড প্রদান করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত ঐ ভুয়া চিকিত্সক হলেন, নাজিরুল হক সোহাগ। তিনি ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা বাসস্ট্যান্ড এলাকার বাসিন্দা নুরুল হকের ছেলে।
এ বিষয়ে রবিবার বিকালে কেন্দুয়া থানার ওসি রাশেদুজ্জামান বলেন, শুক্রবার বিকালে নাজিরুল হক সোহাগ জননী মেডিক্যাল হলে বসে বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকের পরিচয়ে রোগীদের দেখে সাদা কাগজে ব্যবস্থাপত্র লিখে দিচ্ছিলেন। এ সময় ঐ ভুয়া চিকিত্সকের কাছে সেবা নিতে যাওয়া দুজন রোগীর চিকিত্সককে সন্দেহ হলে তারা বিষয়টি থানাপুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করে।
পরে অভিযোগের প্রেক্ষিতে কেন্দুয়া থানার ওসি ঐ ফার্মেসিতে গিয়ে ভুয়া চিকিত্সককে আটক করে। পরে ঐ ফার্মেসিতেই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ভুয়া চিকিত্সককে দণ্ড প্রদান করা হয়।
