কেউ সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে পারবে না: কৃষিমন্ত্রী

আপডেট : ২৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:৩৫

কেউ সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে পারবে না বলে জানিয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

তিনি বলেন, ‘একটি দল সারের কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করছে। যে পরিমাণ কোটা (সারের) দেওয়া আছে সেটাও ওঠাচ্ছে না। কিন্তু তারা সংকট তৈরি করতে পারবে না। কারণ, আমাদের ঈমান ঠিক, আমাদের গোডাউন ঠিক। এই সরকার কৃষকের সরকার। বাজারে এ মুহূর্তে যত সারের চাহিদা আছে, তারচেয়ে বহুগুণ সার গোডাউনে মজুদ আছে।’

বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল আয়োজিত একটি প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মন্ত্রী। 

তিনি বলেন, ‘এদেশের ৭৫ ভাগ মানুষ কৃষির সঙ্গে জড়িত। এই ৭৫ ভাগ মানুষের অর্থনীতি যদি শক্তিশালী হয় তবে অবশ্যই দেশের অর্থনীতিও শক্তিশালী হবে। এই সরকারের প্রধান লক্ষ্য কৃষক যেন তার উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পায়।’
​
কৃষক কার্ডের প্রসঙ্গ টেনে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ বলেন, ‘সরকার কৃষি কার্ড চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে। এই কার্ড চালু হলে আপনি কত জমিতে আলু রোপণ করেছেন, তা সরকারের রেকর্ডে থাকবে। আপনার কী পরিমাণ সারের প্রয়োজন সেটিও সরকারের রিপোর্টে উল্লেখ থাকবে। সেই অনুযায়ী আলু তোলার আগেই সরকার একটি পরিকল্পনা তৈরি করে ফেলতে পারবে। এতে কিছুটা সময় লাগবে। তবে এই কার্ডের মাধ্যমেই কৃষকের সব সমস্যার সমাধান সম্ভব হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা মিনি কোল্ড স্টোরেজকে আরও আপগ্রেড করার চেষ্টা করব। আমরা চাচ্ছি এই মিনি কোল্ড স্টোরেজে যদি দেড়-দুই মাস টমেটো রাখা যায় তাহলে কৃষকরা ন্যায্য দাম পাবেন। মৌসুমের সময় গাজর ৩-৪ টাকা কেজি বিক্রি হয়। কিন্তু মৌসুম চলে গেলে ১০০ টাকা কেজি বিক্রি হয়। যদি মিনি কোল্ড স্টোরেজ ঠিকমতো চালু করা যায়, তাহলে গাজর রাখা যায় ৩-৪ মাস। অথচ, এখন গাজর আমদানি করতে হয়।’

 

 
ইত্তেফাক/আরএইচ