আলমডাঙ্গায় বাবা-মাকে বেঁধে রেখে ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে গণধর্ষণ

আপডেট : ১৯ আগস্ট ২০১৯, ০১:০৭

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার নতিডাঙ্গা গ্রামে বাবা-মাকে বেঁধে রেখে তাদের ষষ্ঠ শ্রেণি পড়ুয়া মেয়েকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে ওই ন্যাক্কারজনক ঘটনাটি ঘটায় এলাকার তিন বখাটে। এ ঘটনায় পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করেছে।

ঘটনার শিকার কিশোরীর বাবা আজ রবিবার দুপুরে তিনজনের নামে আলমডাঙ্গা থানায় মামলা দায়ের করেছেন। এরপর পুলিশ অভিযান চালিয়ে লাল্টু নামে এজাহারভুক্ত এক ধর্ষককে গ্রেফতার করে। নির্যাতনের শিকার ছাত্রীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, আলমডাঙ্গা উপজেলার নতিডাঙ্গা গ্রামের জয়নাল আবেদীনের ছেলে লাল্টু, সভাভোরামির ছেলে শরিফুল ও মিলনের ছেলে রাজু প্রায় ওই ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করে আসছিলো। এক পর্যায়ে বাধ্য হয়ে ছাত্রীর মা শিলা খাতুন চুয়াডাঙ্গা আদালতে মাসখানেক আগে ওই বখাটেদের নামে শ্লীলতাহানির মামলা করেন।

মামলার ঘটনায় তিন বখাটে আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। মামলা তুলে না নিলে ছাত্রীকে ধর্ষণ করা হবে বলে প্রকাশ্যে হুমকি দেয়। আজ রবিবার মামলার স্বাক্ষ্য গ্রহনের দিন ধার্য ছিল। কিন্ত তার আগেই শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে তিন বখাটে ছাত্রীর বাড়িতে ঢোকে। তারা বাবা-মাকে বেঁধে রেখে ছাত্রীটিকে পাশের একটি বাঁশবাগানে নিয়ে গণধর্ষণ করে।

আরও পড়ুন: উলিপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কিশোরের মৃত্যু

আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান মুন্সি জানান, ধর্ষণের ঘটনায় মামলা হয়েছে। ধর্ষিতাকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য চুয়াডাঙ্গায় পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় লাল্টু নামের এক ধর্ষককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ইত্তেফাক/নূহু