ঋণ কেলেঙ্কারি ও অর্থ আত্মসাতের মাললায় সোনালী ব্যাংকের চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলার কার্যক্রম চলবে। মামলা বাতিল প্রশ্নে জারিকৃত রুল খারিজ করে দিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার এ রায় দেন বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে. এম হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। একইসঙ্গে মামলার কার্যক্রমের উপর দেওয়া স্থগিতাদেশও তুলে নিয়ে ৬ মাসের মধ্যে তা নিষ্পত্তি করতে বলা হয়। রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক আদেশের বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান।
দুই বছর আগে সোনালী ব্যাংকের নোয়াখালী শাখা থেকে ডলফিন সি ফুড ইন্ডাস্ট্রিজের স্বত্বাধিকারী নিজাম উদ্দিন ফারুককে ১ কোটি ৯৭ লাখ ১৬ হাজার ৭০০ টাকা ঋণ দিয়ে যোগসাজশে এ টাকা আত্মসাত্ ও পাচার করে আসামিরা। পরে ঋণ কেলেঙ্কারি, অর্থ পাচার ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনে ২০১৬ সালের ১৭ এপ্রিল সোনালী ব্যাংক নোয়াখালী শাখার ঋণ বিভাগের ইনচার্জ মোস্তফা কামাল সুধারাম থানায় মামলা করেন।
মামলায় ঋণ গ্রহীতা নিজাম উদ্দিন ফারুক, সোনালী ব্যাংক নোয়াখালীর চরবাটা শাখার সিনিয়র অফিসার জাকের উল্লাহ, ফেনী সিলোনিয়া শাখার ক্যাশ কর্মকর্তা এম রহমান, কিশোরগঞ্জ প্রিন্সিপাল ব্রাঞ্চের ডিজিএম মীর আবদুল লতিফ ও সোনালী ব্যাংকের একজন সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার থেকে অবসরে যাওয়া আব্দুল আল মামুনকে আসামি করা হয়। এ মামলায় চার কর্মকর্তাসহ ৭ জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগ পত্র দাখিল করে দুদক। গত ৮ জুলাই নোয়াখালী বিশেষ জজ আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে। অভিযোগ গঠন আদেশ চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেন আসামিরা। হাইকোর্ট মামলাটি কেন বাতিল করা হবে না— এই মর্মে রুল জারি করে। ওই রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে হাইকোর্ট উপরোক্ত রায় দেয়।
