মৌসুম শেষে ১০ টাকার কাঁঠাল এখন বিক্রি হচ্ছে ১ হাজারে

আপডেট : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১:৩৩

মৌসুম শেষ হতেই গাজীপুরের শ্রীপুরে কাঁঠালের দাম বেড়েছে কয়েক গুণ। মৌসুমে যে কাঁঠাল ১০ টাকাতেও বিক্রি হয়েছে, এখন সেই কাঁঠালই আকার ও জাতভেদে ২০০ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।

বুধবার শ্রীপুরের বরমী বাজারে পাইকার বিল্লাল হোসেন আটটি কাঁঠাল নিয়ে বিক্রির জন্য বসেছিলেন। তিনি জানান, কাঁঠালগুলো আকারভেদে ২০০ থেকে ১ হাজার টাকায় বিক্রি করছেন। তার ভাষায়, ‘এক হাজার টাকার এই কাডল (কাঁঠাল) সিজনে দাম ১০ টাকাও না।’

শ্রীপুরের জৈনাবাজার, গড়গড়িয়া মাস্টারবাড়ি, নয়নপুর, বরমী ও মাওনা চৌরাস্তার বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মৌসুমের সময়ের মতো কাঁঠালের স্তূপ নেই। কোথাও দু-একটি কাঁঠাল পাওয়া গেলেও দাম শুনে অবাক হচ্ছেন ক্রেতারা।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, মৌসুম শেষ হওয়ায় এখন কাঁঠালের সরবরাহ অনেক কম। গাছে শেষ দিকে থাকা কাঁঠাল সংগ্রহ করতেও বেশি দাম দিতে হচ্ছে। আবার এসব কাঁঠালের স্বাদ ভালো হওয়ায় ক্রেতাদের মধ্যেও চাহিদা রয়েছে।

ফল ব্যবসায়ী ইসলাম উদ্দিন জানান, সব জাতের কাঁঠাল একই সময়ে ধরে না। কিছু জাতের কাঁঠাল মৌসুমের শুরুতে, আবার কিছু জাতের ফলন হয় মৌসুমের শেষ দিকে। সরবরাহ কম থাকায় শেষ মৌসুমের কাঁঠালের দামও বেশি।

জৈনাবাজারের পাইকার সাইফুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে স্থানীয় বাজারে কাঁঠালের সরবরাহ খুবই কম। শেষ মৌসুমের কাঁঠাল ঢাকার নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় নিয়ে গেলে ভালো দাম পাওয়া যায়।

শ্রীপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুমাইয়া সুলতানা বন্যা জানান, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্ভাবিত কিছু আগাম ও ১২ মাসি জাতের কাঁঠালের চারা নার্সারিতে পাওয়া যাচ্ছে। জাত বুঝে চারা রোপণ করতে পারলে কৃষকেরা মৌসুমের বাইরেও ভালো দাম পেতে পারেন।

সূত্র: প্রথম আলো

 

ইত্তেফাক/এসএ