শাহরুখ চৌধুরী লিনা। তিনি বলেন, আমি বিবিএ-এমবিএ শেষ করেছি ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০০৯ সালে। এরপর চাকরি শুরু করি প্রেসক্রিপশন পয়েন্টে। কিছুদিন ছিলাম টেলিকম কোম্পানি এয়ারটেলে। তাও প্রায় তিন বছর। তারপরে ইউসিবিএল রিটেইল ব্যাংকিংয়ে আসি। চাকরির পাশাপাশি টুকটাক অনলাইন বিজনেসও করতাম। ২০১৪ সালে বিয়ের পরই সন্তানসম্ভবা হই, নিজের জন্য সময় বের করতেই চাকরি ছাড়ি। তার পরেও অনলাইন বিজনেস চালিয়ে যাচ্ছিলাম। বিখ্যাত ব্যক্তির সঙ্গে নামের মিল দেখে অনেকেই অবাক হতো। মেয়েদের নাম আবার শাহরুখ হয় নাকি! খুব ইচ্ছা ছিল নিজের মতো করে কিছু করার, যাতে সবাই আমাকে আমার কাজ দিয়ে চিনবে।
‘লিনা’স থাউজ্যান্ড থিংগস’ নামে ২০১৭ সালে একটি শো-রুম দিই। প্রথমে ধানমন্ডি অর্চার্ড পয়েন্টে, পরে গুলশান পুলিশ প্লাজায়, সবশেষে পিংক সিটিতে, ১১ মাসের মধ্যে তিনটি শো-রুম চালাচ্ছি, সংখ্যা আরো বাড়াতে চাই। আমার কালেকশন বেশ জনপ্রিয়, তবে দোকানের চেয়ে এখন বেশি বিক্রি হয় অনলাইনে লাইভ থেকে। আমার প্রতিটি কাজে পরিবারের যে অভাবনীয় সহায়তা পেয়েছি, তা আমাকে আরো দূর যেতে আগ্রহ দেয়। আমার ক্রিয়েটিভিটি কাজে লাগিয়ে ডিজাইন করতে সাহস পেতাম না। ফ্যাশন ডিজাইনিংয়ে নিজের কোনো পড়াশোনা না থাকায়, মূলত বিদেশি পোশাক বিক্রি করলেও এখন চাচ্ছি দেশি ডিজাইনারদের দ্বারা তৈরি পোশাক বাজারজাত করতে। আমি চাই সমাজের সর্বস্তরের মানুষ যেন আমার শো-রুমে এসে কিছু না কিছু কিনে নিয়ে যেতে পারেন, সেই লক্ষ্য নিয়েই কাজ করছি।
