বাংলাদেশ থেকে কুয়েতে যাওয়া এক বাংলাদেশি যাত্রীর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ করেছে দেশটির কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল-৫-এ তল্লাশি চালিয়ে ওই যাত্রীকে আটক করা হয়।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিমানবন্দরে তল্লাশির সময় তার কাছ থেকে ৪ কেজি ৭৫০ গ্রাম গাঁজা, ৩১৯ দশমিক ৩ গ্রাম মেথঅ্যামফিটামিন এবং ৬ হাজার ২১১টি ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। তবে আটক যাত্রীর নাম-পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম আরব টাইমসের প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
উদ্ধার করা মাদক জব্দের পর আটক ব্যক্তিকে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্থানীয় মাদক নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
কুয়েত সরকার মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করে আসছে। দেশটির বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন প্রবেশপথে মাদক চোরাচালান ঠেকাতে নিরাপত্তা ও তল্লাশি জোরদার রয়েছে। এর আগেও মাদকসংক্রান্ত অভিযোগে বেশ কয়েকজন বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করে আইনি প্রক্রিয়ার আওতায় এনেছে কুয়েতের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এদিকে, বাংলাদেশ থেকে যাওয়া একটি বিমানে এত বড় মাদকের চালান কীভাবে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ও স্ক্যানিং ব্যবস্থা পেরিয়ে গেল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কুয়েতে বসবাসরত বাংলাদেশিরা।
কুয়েতের বাংলাদেশি কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের আশঙ্কা, এ ধরনের ঘটনা দেশটিতে থাকা বাংলাদেশিদের ভাবমূর্তি এবং বাংলাদেশের শ্রমবাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তারা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ও তল্লাশি ব্যবস্থার বিষয়টি তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
একই সঙ্গে এত বড় মাদকের চালান বাইরে যাওয়ার ঘটনায় কোনো কর্মকর্তা বা চক্র জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

