মাঝনদীতে চার ট্রলারের জেলেদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত ১০

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭:০৫

ভোলার মনপুরায় মেঘনা নদীতে মাছ ধরার জাল পাতাকে কেন্দ্র করে চার ট্রলারে জেলেদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১০ জন আহতের খবর পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে তিন জেলেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুই জেলের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। আহত অন্য জেলেদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

সর্বশেষ বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি স্থানীয়ভাবে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য আড়তদার ফারুক কোম্পানি ও হারুন সাঝি। এর আগে বুধবার রাত ১২টায় উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের জংলারখাল সংলগ্ন পূর্বপাশের মেঘনায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন, রসিদ মোল্লা মাঝিসহ ট্রলারে থাকা নাহিদ, দুলু কাজী ও ইদ্রিস আলী মাঝি। এদের সবার বাড়ি শরীয়তপুর জেলার বিভিন্ন গ্রামে। অপর আহত ৫ জেলের ফারুক কোম্পানি ও হারুন সাঝি মৎস্য আড়তের ট্রলারের জেলে।

আহত জেলে ও প্রত্যক্ষদর্শী জেলে সূত্রে জানা যায়, উপজেলার জংলারখাল সংলগ্ন পূর্বপাশের মেঘনায় মাছ শিকারের জন্য জাল ফেলছিল জংলারখাল মৎস্য ঘাটের ওবায়দুলের আড়তে রসিদ মোল্লা মাছ ধরার ট্রলার। এই সময় ফারুক কোম্পানির মাছের আড়তের দুই ট্রলার ও হারুন সাঝির মাছের আড়তের একটি ট্রলারের জেলেরা জাল ফেলতে বাধা দেয়। পরে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। এতে রসিদ মোল্লা ট্রলারে ৫ জেলে এবং তিন ট্রলারে থাকা ৫ জেলেসহ ১০ জেলে আহত হয়। আহতদের পাঁচ জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করা হয়। অপর ৫ জেলেকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

এই ব্যাপারে জংলারখাল মৎস্য ঘাটের আড়তদার ওবায়দুল জানান, মেঘনায় জাল পাতা নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় আড়তে মাছ দেওয়া চাঁদপুরের জেল রসিদ মোল্লাসহ ট্রলারে থাকা পাঁচ জেলেকে পিটিয়ে আহত করা হয়।

মৎস্য আড়তদার ফারুক কোম্পানি ও হারুন সাঝি জানান, মেঘনায় মাছ শিকারের সময় সংঘর্ষে ১০ জেলে আহত হয়। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে সালিশ করে সমাধান করা হবে।

মনপুরা থানার ওসি মাজাহারুল ইসলাম জানান, এই ব্যাপারে থানায় কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ করেনি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইত্তেফাক/এপি