চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার নায়েরগাঁও উত্তর ইউনিয়নের নিহত মাদ্রাসা ছাত্র সোহেল রানার দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন খণ্ডিত মস্তক উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার দিবাগত রাত ২টার দিকে সোহেল রানা হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত ফরহাদ হোসেনকে (১৮) আটক করে পুলিশ।
মঙ্গলবার ভোরে আটক ফরহাদের স্বীকারোক্তির পর তাকে নিয়ে ওই ইউনিয়নের নন্দীখোলা গ্রামের পুকুর থেকে মাথা উদ্ধার করেছে মতলব থানা পুলিশ। আটক ফরহাদ একই গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে।
মতলব দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) স্বপন কুমার আইচ বলেন, ঘটনার পর অভিযান শুরু করে পুলিশ। রাতে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ফরহাদকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে তাকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলের ওই পুকুরে এক কোনায় কচুরিপানার নিচ থেকে সোহেল রানার মাথা উদ্ধার করা হয়। বিকেলে আটক ফরহাদকে চাঁদপুর আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এই ঘটনায় নিহত ছাত্রের পিতা জমির হোসেন মামলা দায়ের করেছেন।
ওসি আরও জানান, মামলাটির তদন্তের স্বার্থে হত্যার ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না তা এই মুহূর্তে বলা সম্ভব হচ্ছে না। গ্রেফতার হওয়ার পরে জানানো হবে।
রবিবার দিনগত রাতে সোহেল রানা পাশের বাড়িতে একটি সুন্নতে খৎনা অনুষ্ঠানে গেলে রাতে আর ফিরে আসেনি। সোমবার সকালে তার পিতা জমির হোসেন লোকজন নিয়ে ছেলেকে খুঁজতে গিয়ে পুকুরে মরদেহ ভাসতে দেখে। পরে পুলিশকে খবর দিয়ে পুলিশ এসে মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করে।
আরও পড়ুন: কাহালুতে হাওয়া দেওয়ার সময় টায়ার ফেটে একজনের মৃত্যু
নিহত সোহেল রানা নন্দীখোলা সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলো।
ইত্তেফাক/নূহু
