সাভারে শ্রমিক দল নেতার বাসায় হামলা, গুলি ও ভাঙচুর

আপডেট : ০২ অক্টোবর ২০২৬, ২০:৪৬

সাভারের আশুলিয়ায় পূর্ববিরোধের জেরে এক শ্রমিক দল নেতার বাসায় হামলা, ভাঙচুর ও গুলিবর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ইয়ারপুর ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সহ-সভাপতি সাঈদ হাসান মিঠুসহ অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। আহতদের মধ্যে চায়ের দোকানদার ও তার ছেলেসহ তিনজনকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাতে আশুলিয়ার চিত্রশাইলের মানিকগঞ্জ পাড়া এলাকায় পৃথকভাবে এসব ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

তাছাড়া আশুলিয়ার কাঠালতলা ও কামরুলেট মোড় এলাকায়ও হট্টগোলের পৃথক খবর পাওয়া গেছে। তবে তিনটি ঘটনায় কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি-না তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্ববিরোধের জেরে আশুলিয়া থানা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলামের বাসায় (মানিকগঞ্জ পাড়া এলাকায়) একদল লোক হামলা চালায়। এ সময় গুলি ও ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ করেন রবিউল। হামলার একপর্যায়ে বাসার সিঁড়ির নিচে হামিম নামে এক যুবককে কুপিয়ে আহত করে ফেলে রাখা হয়।

পরে ইয়ারপুর ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সহ-সভাপতি সাঈদ হাসান মিঠুকেও মাথা ও বাম হাতে কুপিয়ে এবং ডান হাতে গুলি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় নারীসহ আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন। তবে আহতের সঠিক সংখ্যা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলার সময় পুলিশের সাইরেন শুনে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে যান।

রবিউল ইসলাম অভিযোগ করেন, হাবিব ও হাসান বাহিনীর লোকজন তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে বাসায় হামলা চালিয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে মিছিল করায় তারা তার ওপর ক্ষুব্ধ ছিল বলেও দাবি করেন তিনি।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মো. হাবিব বলেন, ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। বরং আমার দুই ছেলেকে মারধর করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

আশুলিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে ইন্টারনেট ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানা গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইত্তেফাক/এপি