এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ছিল বড় বহর নিয়ে। ২২টি ডিসিপ্লিনে ১৮৭ জন ক্রীড়াবিদের সঙ্গে ছিলেন কোচ ও কর্মকর্তারা। জাপানের আইচি-নাগোয়ায় অনুষ্ঠিত গেমস শেষে বাংলাদেশের ঝুলিতে জমা পড়েছে মাত্র একটি ব্রোঞ্জপদক।
ক্রিকেট, কাবাডি, শুটিং ও আর্চারিতে পদকের আশা করা হলেও শেষ পর্যন্ত এসব খেলা থেকে কোনো পদক আসেনি। এশিয়ান গেমসে ব্যর্থতার কারণ খুঁজতে মূল্যায়ন কমিটি করার কথা জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
রোববার (৪ অক্টোবর) গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে আমিনুল হক বলেন, ‘এশিয়ান গেমসে এবারের পারফরম্যান্স অত্যন্ত হতাশাজনক ছিল। ব্যর্থতার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান ও ভবিষ্যৎ করণীয় নির্ধারণের জন্য ইতোমধ্যে একটি বিশেষ মূল্যায়ন কমিটি গঠন করা হয়েছে। সরকারের বর্তমান লক্ষ্য কেবল কোনো আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করা নয়, বরং সরাসরি পদকের জন্য লড়াই করা।’
এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে অংশ নিয়ে প্রতিবারই পদক জিতেছিল বাংলাদেশ পুরুষ ক্রিকেট দল। ২০১০ সালে প্রথমবার পুরুষ ক্রিকেটে অংশ নিয়ে আফগানিস্তানকে হারিয়ে সোনা জিতেছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। পরবর্তী দুই আসরেও পদক পেয়েছিল বাংলাদেশ। এবারই প্রথম ক্রিকেট থেকে পদক ছাড়াই ফিরতে হলো টাইগারদের।
বিষ্যতে পদক জয়ের সম্ভাবনাময় এমন ইভেন্টকে আরও গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘যেসব ইভেন্টে বাংলাদেশের পদক জয়ের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি, সেগুলোকে সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করে যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হবে।’
