আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কুপিয়ে হত্যা: ১২ আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপডেট : ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯:৫৭

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সাহেব আলী কুপিয়ে হত্যার মামলায় ১২ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া আরও দুই আসামিকে দুই বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা প্রদান করা হয়।

সেইসঙ্গে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় সাতজনকে মামলা থেকে বেকসুর খালাস দিয়েছে আদালত।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ২য় আদালতের বিচারক নাদিরা সুলতানা আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার পর আসামিদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) অ্যাডভোকেট মো. হাফিজুল ইসলাম মুনীর রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলো, সাবু (৪১), আয়েন উদ্দিন (৬৮), মোজাম্মেল হোসেন (৭৩), আক্তার, হোসেন (৪৩), আবু (৩৭), সেলিম (৪১), বদর উদ্দিন (৬৮), আফসার শেখ (৬৫), সোহাগ (৩৮), শরিফুল (৪৩), বিপুল (৩৪), ও সুমিন (৩৮)। এরা সবাই জেলার কুমারখালী উপজেলার বাসিন্দা। দুই বছর কারাদণ্ড প্রাপ্তরা হলেন, দুই জুলু (৩৮) ও রাহুলকে (৩৪)। 

নিহত সাহেব আলী কুমারখালীর চর-চাপড়া গ্রামের মৃত ইমান আলীর ছেলে। 

মামলার বিবরণে জানাযায়, ২০১৩ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি রাতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের লোকজন বাজার থেকে বাড়ি ফেরার সময় পথিমধ্যে আসামিরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে সাহেব আলীকে হত্যা করে লাশ একটি কলাবাগানের পার্শ্বে ফেলে রাখে। এ ঘটনার দুই দিন পর সাহেব আলীর ছোট ভাই আহম্মেদ আলী ওরফে আকম আলী বাদী হয়ে ২৪ জনের নামসহ অজ্ঞাত পরিচয় আরও ১০ থেকে ১৫ জনের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। 

তদন্ত শেষে ২০১৩ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর কুমারখালী থানার তৎকালীন পুলিশ পরিদর্শক কাজী কামাল হোসেন ২১ জনকে আসামি করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। আদালতে সাক্ষ্য-প্রমাণে মামলাটি প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক আসামিদের বিরুদ্ধে ওই দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।

 

 
ইত্তেফাক/এমএসআর