ভালোবাসার টানে চীনা যুবক মাদারীপুরে, মুসলিম হয়ে করতে চান বিয়ে

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২১:১৮

চীনের হেনান প্রদেশ থেকে হাজারো মাইল পাড়ি দিয়ে প্রেমিকার বাড়িতে এসেছেন ওয়াং এরলিং নামের এক যুবক। চার মাস আগে অনলাইনে পরিচয়, এরপর বন্ধুত্ব থেকে প্রেম। সেই সম্পর্কের টানেই বাংলাদেশে এসেছেন তিনি। চীনা এই যুবককে একনজর দেখতে প্রেমিকার বাড়িতে ভিড় করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এদিকে তার পরিচয় ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করছে পুলিশ।

ঘটনাটি মাদারীপুর সদর উপজেলার মোস্তফাপুর ইউনিয়নের চাপাতলী গ্রামের।

পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চাপাতলী গ্রামের কৃষক মোস্তফা ব্যাপারীর কলেজপড়ুয়া মেয়ে হাফিজা আক্তারের সঙ্গে চার মাস আগে ‘ওয়ার্ল্ড টক’ অ্যাপের মাধ্যমে পরিচয় হয় চীনের হেনান প্রদেশের বাসিন্দা ওয়াং এরলিংয়ের। এরপর নিয়মিত তাঁদের মধ্যে কথা হতো। একপর্যায়ে বন্ধুত্ব গড়ায় প্রেমে।

গত বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) চীন থেকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসেন ওয়াং এরলিং। পরে প্রেমিকার আত্মীয়স্বজনের মাধ্যমে হাফিজার বোনের বাসায় ওঠেন তিনি। গতকাল শুক্রবার তাঁকে মাদারীপুরে হাফিজাদের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।

চীনা যুবকের আসার খবর ছড়িয়ে পড়লে তাকে দেখতে হাফিজাদের বাড়িতে ভিড় করেন স্থানীয় বাসিন্দারা ও আত্মীয়স্বজন। খবর পেয়ে সেখানে যায় পুলিশ ও প্রশাসনের লোকজনও। ওয়াং এরলিংয়ের পাসপোর্টসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করছেন তারা।

হাফিজা আক্তার জানান, ওয়াং এরলিংয়ের ছবি দেখে তার ভালো লাগে। পরে দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরিবারের সম্মতিতে তারা বিয়ে করতে চান।

হাফিজা বলেন, ‘ওয়াং এরলিং আমাকে চীনে নিয়ে যাওয়ার কথা বলেছে। আমিও সেখানে যেতে আগ্রহী। তবে তার সব তথ্য সঠিক পাওয়া গেলেই তাকে বিয়ে করব।’

ওয়াং এরলিং জানিয়েছেন, হাফিজাকে বিয়ে করতে প্রয়োজনে তিনি মুসলিম হতে রাজি। বাংলাদেশে আসার আগে পরিবারের কাছ থেকে অনুমতি নিয়েছেন বলেও জানান তিনি। বিয়ে করে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে নিজ দেশে ফিরতে চান ওয়াং এরলিং। চীনে একটি ওয়ার্কশপে কাজ করেন তিনি।

হাফিজার বাবা মোস্তফা ব্যাপারী বলেন, ‘আমার মেয়ে যেখানে সুখে থাকবে, আমি সেখানেই ওর বিয়ে দেব। যা কিছু হবে, সব সামাজিকতা রক্ষা করেই হবে।’

চীনা যুবককে দেখতে আসা আখি ইসলাম বলেন, চীনের যুবককে নিজের চোখে দেখতে হাফিজার বাড়িতে এসেছি। তাকে দেখে খুব 

ইত্তেফাক/এনএ