কলেজের শিক্ষক একজন, পরীক্ষার্থীও একজন, পাস করতে পারেননি তিনিও

আপডেট : ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৫১

শিক্ষক মাত্র একজন, আর এইচএসসি পরীক্ষার্থীও ছিলেন মাত্র একজন। তবে সেই একমাত্র পরীক্ষার্থীও উত্তীর্ণ হতে পারেননি। পটুয়াখালী সদর উপজেলার আউলিয়াপুরে অবস্থিত সাবিনা আক্তার স্কুল অ্যান্ড কলেজের এমন ফলাফল প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষা কার্যক্রম ও পরিচালনা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় কলেজটির মানবিক বিভাগ থেকে অংশ নেন আফরিন আক্তার নামের এক শিক্ষার্থী। তবে প্রকাশিত ফলাফলে একটি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন তিনি। এর আগেও এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হতে পারেননি ওই শিক্ষার্থী। ফলে এবারও কলেজটির পাসের হার শূন্য রয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০২৩ সালে কলেজ শাখার কার্যক্রম শুরু করে সাবিনা আক্তার স্কুল অ্যান্ড কলেজ। তবে প্রতিষ্ঠার কয়েক বছর পেরিয়ে গেলেও সেখানে প্রয়োজনীয় শিক্ষা কার্যক্রম গড়ে ওঠেনি। এখনো এমপিওভুক্ত হয়নি প্রতিষ্ঠানটি।

কলেজের অধ্যক্ষের দাবি, তিনি ছাড়া সেখানে আর কোনো শিক্ষক নেই। এমনকি প্রতিষ্ঠানটিতে নিয়মিত পাঠদান কার্যক্রমও কার্যত বন্ধ রয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ আবু তালেব বলেন, ‘আমাদের প্রতিষ্ঠানটি নতুন। এখনো এমপিওভুক্ত হয়নি। এখানে আমি ছাড়া কোনো শিক্ষক নেই। এবার একজন মাত্র পরীক্ষার্থী রেজিস্ট্রেশন করে পরীক্ষা দিয়েছিল, সেও ফেল করেছে। এর আগেও সে পরীক্ষা দিয়েছিল, তখনও পাস করতে পারেনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষা কার্যক্রম একেবারেই নেই বললেই চলে। যারা কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেছেন, তাদেরও কোনো কার্যক্রম নেই। অধ্যক্ষ হয়ে এখানে আমি নিজেই বিপাকে আছি।’

ইত্তেফাক/এমএস