কেউ বললেন আমার নাট্যজীবনটা আবদুল্লাহ আল মামুনের হাতে গড়া, কেউ শ্রদ্ধার সঙ্গে উচ্চারণ করলেন, মামুনের সঙ্গে কাজ করা আমার জীবনের অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা। তবে সবার মুখে উচ্চারিত হলো টেলিভিশন নাটক আজকে যে পর্যায়ে এসেছে তাতে অন্যতম অবদান মামুনের। তিনি এমন সব চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন, যা মাইলফলক হয়ে রয়েছে।
নবনাট্য চর্চার অন্যতম পথিকৃত্ আবদুল্লাহ আল মামুনের জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে তার হাতে গড়া শিল্পী, নাট্য রচয়িতা ও বন্ধুরা এভাবেই মূল্যায়ন করলেন ক্ষণজন্মা এই ব্যক্তিকে। গতকাল শনিবার বিকেলে অভিনয় শিল্পী সংঘের কার্যালয়ে নাট্যজন আবদুল্লাহ আল মামুনকে স্মরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সংঘের সভাপতি শহিদুজ্জামান সেলিমের সঞ্চালনায় সেই আয়োজনে স্মৃতিচারণ করেন আবদুল্লাহ আল মামুনের হাতে গড়া শিল্পী, বন্ধুরা।
রামেন্দু মজুমদার বললেন, ‘নাটক ছিল তার রক্তে। যে দু’জন মানুষের জন্য বাংলাদেশে মঞ্চনাটক জনপ্রিয় হয়েছে, তাদের একজন আবদুল্লাহ আল মামুন, অন্যজন মামুনুর রশীদ।’ অভিনেত্রী ফেরদৌসী মজুমদার বলেন, ‘আমার নাট্যজীবনের জন্ম তার হাতে। ছোট্ট শিশুকে যেমন মুখে তুলে খাইয়ে দেওয়া হয়, তিনি সেভাবে আমাকে শেখাতেন। আজ যে অবস্থানে এসেছি, তার সিংহভাগের অবদান তার।’
অনুষ্ঠানে স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য দেন রাইসুল ইসলাম আসাদ, মামুনুর রশীদ, মনোজ সেনগুপ্ত, নরেশ ভূইঞা, আবদুল কাদের, খায়রুল আলম সবুজ, ত্রপা মজুমদার প্রমুখ। অভিনয়শিল্পীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দিলারা জামান, তানিয়া আহমেদ, তারিন, সুইটি, জাহিদ হাসান, তৌকির আহমদসহ আরো অনেকে।
