সিদ্ধিরগঞ্জে আবারও ভুয়া চিকিত্সক আটক

আপডেট : ২৭ আগস্ট ২০১৯, ২২:২৬

সিদ্ধিরগঞ্জে আবারও ভুয়া চিকিত্সক আটক করেছে র্যাব-১১। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সিদ্ধিরগঞ্জের চিটাগাং রোড চান সুপার মার্কেটের সি ডি কমপ্লেক্সে (কুমিল্লা ডায়াগনস্টিক কমপ্লেক্স) অভিযান চালিয়ে ভুয়া চিকিত্সক জহিরুল ইসলামকে আটক করা হয়। র্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃত ভুয়া চিকিত্সক জহিরুল ইসলাম কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানার জগত্পুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে। সে নিয়মিত রোগী দেখা এবং রোগীদের বিভিন্ন ডাক্তারি পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও আলট্রাসনোগ্রাম রিপোর্ট তৈরি করে আসছে। তার নামের পাশে ডাক্তারি ডিগ্রি হিসেবে এমবিবিএস, পিজিটি (মেডিসিন অ্যান্ড গাইনি), সিএমইউ (ডিইউ), ডিএমইউ (ডিইউ), (সনোলজিস্ট) মেডিসিন, মা, শিশু, চর্ম ও যৌন রোগের অভিজ্ঞ চিকিত্সক, চান সুপার মার্কেট ৩য় তলা, মুক্তি সরণী, চিটাগাং রোড, সিদ্ধিরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ উল্লেখ করে আলট্রাসনোগ্রাম রিপোর্ট ও প্রেসক্রিপশন করে থাকে।

র্যাব নিবন্ধিত চিকিত্সক হিসেবে তার এমবিবিএস সনদ ও বিএমডিসি কর্তৃক রেজিস্ট্রেশন নম্বর দেখতে চাইলে সে কোনো এমবিবিএস সনদ ও বিএমডিসি কর্তৃক রেজিস্ট্রেশন নম্বর দেখাতে পারেনি। জিজ্ঞাসাবাদে জহিরুল র্যাবকে জানায়, সে কুমিল্লা জেলার ভগবান সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৯০ সালে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি ও ১৯৯৩ সালে আমির হোসেন জোবেদা কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করে। সে মূলত মেডিক্যাল অ্যাসিসটেন্ট হিসেবে কাজ করত। ২০০৩ সালে প্রায় ৫ লাখ টাকা দিয়ে একটি নকল ভারতীয় এমবিবিএস/এএম সার্টিফিকেট ক্রয় করে এবং তা ব্যবহার করে রোগীদের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিল। র্যাব আরো জানায়, প্রতিষ্ঠানের মালিক প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হলে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দেওয়া হবে। গ্রেফতারকৃত ভুয়া চিকিত্সক জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার

সিদ্ধিরগঞ্জে ১৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মোক্তার হোসেনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবাব রাতে সিদ্ধিরগঞ্জের আইলপাড়া এলাকা থেকে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এএসআই আমিনুল ইসলাম জানায়, গ্রেফতারকৃত মোক্তার হোসেন দুইটি মামলায় ১৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি। সে বন্দর থানার কামতাল এলাকার আব্দুল করিমের ছেলে। মোক্তার হোসেন সিদ্ধিরগঞ্জের আইলপাড় এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছিল।