যশোরে এলজিইডির গাড়িচালককে গলা কেটে হত্যা

আপডেট : ২৮ আগস্ট ২০১৯, ২২:০৭

যশোরে এলজিইডির গাড়িচালক হাসানুজ্জামান ওরফে জগলুকে (৫০) গলাকেটে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ গতকাল বুধবার সকাল ৭টার দিকে যশোর-ঝিনাইদহ মহাসড়কের পাশে যশোর সদরের চুড়ামনকাটির উত্তরপাড়া থেকে মরদেহ উদ্ধার  করে। জগলু কুষ্টিয়া সদরের জুগিয়া গ্রামের জহুরুল আলমের ছেলে। তিনি ঝিনাইদহ এলজিইডিতে কর্মরত ছিলেন।

এলজিইডি যশোরের কয়েকজন কর্মচারী জানান, জগলু ঝিনাইদহ এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলীর  গাড়িচালক ছিলেন। তিনি ঝিনাইদহ ডাকবাংলোয় একা থাকতেন। তার একমাত্র ছেলে ঢাকায় পড়াশোনা করেন এবং তার স্ত্রী ছেলের সঙ্গে থাকেন। স্ত্রী হালিমা বেগম  জগলুকে তালাক দিয়েছিলেন। এরপর অন্য আরেকজনকে বিয়ে করেন। পরে তাকে তালাক দিয়ে ফের জগলুকে বিয়ে করেন হালিমা। এ সময় জগলু তার সব সম্পত্তি স্ত্রী হালিমা বেগমের নামে লিখে দেন। তিনি পারিবারিক কারণে খুন হতে পারেন। ঝিনাইদহ এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সামসুজ্জামান জানান, পারিবারিক কারণে তিনি অশান্তিতে ছিলেন। জগলু মঙ্গলবার অফিসের দায়িত্ব পালন করেছেন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গোলাম রব্বানী বলেন, তাকে অন্য কোনো স্থানে গলাকেটে হত্যার পর মহাসড়কের পাশে লাশটি ফেলে গেছে দুর্বৃত্তরা। এজন্য এখানে রক্তের চিহ্ন দেখা যায়নি। 

‘স্ত্রীকে আপত্তিকর মন্তব্য করায়  বন্ধুকে হত্যা করে আরিফ’

এদিকে চট্টগ্রাম অফিস জানায়, স্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করায় ফাহিম নামে এক যুবককে গত ২০ আগস্ট গলাকেটে হত্যা করেছে তার বন্ধু আরিফ। গত শুক্রবার নগরীর ডিসি রোডের আবু কলোনি সংলগ্ন একটি বাসা থেকে পুলিশ ফাহিমের গলিত লাশ উদ্ধার করেছে। ভোলা জেলার রতনপুর এলাকায় খালার বাড়ি  থেকে আরিফকে গ্রেফতার করে গতকাল বুধবার চট্টগ্রামে নিয়ে আসে চকবাজার থানা পুলিশ। আরিফের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী খুনের কাজে ব্যবহূত ছুরিটি তার বাসা থেকে পুলিশ উদ্ধার করেছে। গতকাল বুধবার নিজ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন সিএমপি উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) এসএম মেহেদী হাসান। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ফাহিম ও আরিফ উভয়েই ইয়াবা সেবনকারী। ইয়াবা খাওয়ার সময় আরিফের স্ত্রীকে নিয়ে প্রায়ই আপত্তিকর মন্তব্য করত ফাহিম। সে আরিফের স্ত্রীর সঙ্গ পেতে বায়না ধরে। তখনই আরিফ ক্ষুব্ধ হয়ে হত্যার পরিকল্পনা করে। গত মঙ্গলবার অভিযান চালিয়ে আরিফকে ভোলা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।