২০১৯ সালের মধ্যে ফলিত পুষ্টি বিষয়ে ডিপ্লোমা চালু করবে বারটান

আপডেট : ০৮ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৮:৪৯

আগামী বছরের (২০১৯) মধ্যে বাংলাদেশ ফলিত পুষ্টি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (বারটান) ফলিত পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞানের ওপর ডিপ্লোমা চালু করবে বলে জানিয়েছেন বারটান নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ নজমুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব (পিপিসি), কৃষি মন্ত্রণালয়।শনিবার রাজধানীর সেচ ভবনে বারটান প্রধান কার্যালয়ে প্রস্তাবিত ডিপ্লোমা কোর্সের ওপর আয়োজিত কর্মশালায় তিনি এ কথা বলেন।

কর্মশালাটি যৌথভাবে আয়োজন করে বারটান ও ইন্টারন্যাশনাল ফুড পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (আইএফপিআরআই)। কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইএফপিআরআই-এর বাংলাদেশ প্রতিনিধি আখতার আহমেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বারটান পরিচালক কাজী আবুল কালাম (সচিব) ও বারটান-এর অবকাঠামো নির্মাণ ও কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ প্রকল্প পরিচালক এস এম শিবলী নজির। কর্মশালায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বিশ্ব খাদ্য সংস্থা, আইএফপিআরআই সহ সংশ্লিষ্ট সরকারি বেসরকারি সংস্থার শিক্ষাবিদ ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কর্মশালার সভাপতির বক্তব্যে মো. নজমুল ইসলাম বলেন, খাদ্যভিত্তিক পুষ্টি বিষয়ক গবেষণা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পুষ্টিস্তর উন্নয়নের লক্ষ্যে বারটান কাজ করে যাচ্ছে। সেজন্য নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলায় ১০০ একর জায়গায় নির্মিতব্য বারটান প্রধান কার্যালয়ের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আশা করছি, ২০১৯ সালের এপ্রিলের মধ্যে সেখানে আমাদের কার্যক্রম শুরু করতে পারবো। এবং আগামী বছর ডিপ্লোমা কোর্স করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

বারটান এর প্রস্তাবিত ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউট-এর অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ আবদুহু ফলিত পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞানের ওপর প্রস্তাবিত ডিপ্লোমা কোর্সের সার্বিক দিক সম্পর্কে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, ৪ বছর ও ৮ সেমিস্টার ব্যাপী এই ডিপ্লোমা কোর্সে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি পাস করার পর শিক্ষার্থীরা ভর্তি হতে পারবে। এই ডিপ্লোমা কোর্স শেষ করার পরে শিক্ষার্থীরা পুষ্টিবিদ হিসেবে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে পারবে।

কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ৬টি গ্রুপে ভাগ করে দেয়া হয়, সেখানে গ্রুপ অনুযায়ী বক্তারা তাদের মতামত তুলে ধরেন। কর্মশালায় বক্তারা বলেন কোর্স যেন এসএসসি পাস করার পর শিক্ষার্থীদের গ্রহণ করার উপযোগী করে তোলা হয়। অংশগ্রহণকারীরা সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে যেন এই ইনস্টিটিউট থেকে ডিগ্রি গ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা কাজ করার সুযোগ পেতে পারেন সে জন্য নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে কাজ করার পরামর্শ প্রদান করেন। 

ইত্তেফাক/কেকে