পার্লামেন্ট স্থগিতের প্রতিবাদে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে। বিরোধী লেবার পার্টি এই বিক্ষোভের মূল আয়োজক বলে জানা গেছে। বিক্ষোভকারীরা গণতন্ত্রকে রক্ষায় পার্লামেন্ট চালুর দাবি জানিয়েছেন। অনেক বিক্ষোভকারীকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পতাকা হাতে দেখা গেছে। বিক্ষোভস্থল ‘অভ্যুত্থান থামান’ শীর্ষক স্লোগানে মুখর ছিল। খবর: দ্য গার্ডিয়ান ও ডেইলি মেইলের।
ব্রিটেনের বেশ কয়েকটি শহরে শনিবার বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ১০ নং ডাউনিং স্ট্রিটের বাইরেও বিক্ষোভ করেছেন হাজার হাজার মানুষ। ম্যানচেস্টার, গ্ল্যাসগো, নিউ ক্যাসেল, বার্মিংহাম, ব্রাইটন, সোয়ানসিয়া, ব্রিস্টল এবং লিভারপুল ছাড়াও আরো কয়েকটি শহরে বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়। লন্ডনের বিক্ষোভে একটি ফেসবুক গ্রুপ অংশ নেয়। তাদের স্লোগান ছিল, ‘গণতন্ত্র রক্ষায় অভ্যুত্থান থামান।’
তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন তার ব্রেক্সিট কার্যকরে আমাদের গণতন্ত্রকে স্তব্ধ করে দিচ্ছেন। তাই আমরা কেবল আদালত কিংবা পার্লামেন্টের প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করবো না। আমরা রাস্তায় প্রতিবাদ জানিয়ে যাবো। এটা আমাদের দায়িত্ব।
আরো পড়ুন: আওয়ামী লীগের সম্মেলন অক্টোবরে, কমিটি হয়েছে এক জেলায়
লন্ডনে ডাউনিং স্ট্রিটের সামনে বিক্ষোভের অন্যতম আয়োজক লরা পার্কার বলেন, আমাদের গণতন্ত্রকে কুক্ষিগত করার সুযোগ একজন অনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীকে দেবো না। প্রধানমন্ত্রী আমাদের পদ্ধতিকে ধ্বংসের চেষ্টা করছেন। কিন্তু আমরা জানি আপনি (বরিস জনসন) কোথায় থাকেন। ব্রিটেনের ছায়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডায়েন অ্যাবোট লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিনের পক্ষে কথা বলেন।
তিনি বলেন, করবিন এই বিক্ষোভে ১০০ ভাগ সমর্থন দিয়েছেন। শিগগিরই আপনারা ডাউনিং স্ট্রিটেও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাকে দেখতে পাবেন। এরই মধ্যে কিছু লোক ‘করবিন কোথায়’ বলে চিত্কার শুরু করেন। পরে বিক্ষোভকারীরা ‘অভ্যুত্থান থামান’ স্লোগান দিতে থাকেন।
ইত্তেফাক/বিএএফ
