ভিন্নচোখে ডেস্ক
স্থাপত্যবিষয়ক বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন ও সম্মানজনক পুরস্কার হচ্ছে আগা খান ‘আগা খান অ্যাওয়ার্ড ফর আর্কিটেকচার’। চতুর্থ আগা খান কর্তৃক ১৯৭৭ সালে এই পুরস্কার দেওয়া শুরু হয়। সমকালীন নকশা, সামাজিক গৃহায়ণ, সামাজিক অগ্রগতি ও উন্নয়নসহ অনেক দিকই বিবেচনা করা হয় এতে। এই পুরস্কার কেবল স্থাপত্যের নান্দনিক দিকটির দিকেই খেয়াল করে না, সার্বিকভাবে জীবনের গুণগত মানোন্নয়নের দিকেও খেয়াল রাখে। স্থাপনা বা ব্যক্তির পাশাপাশি এটি প্রকল্প, সম্প্রদায় ও এর অংশীদারদেরও স্বীকৃতি দেয়।
৩ বছর পরপর এই পুরস্কারটি প্রদান করা হয়। চলতি বছরের আগা খান অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে বিভিন্ন দেশের ৬টি প্রকল্প। এরমধ্যে রয়েছে বাংলাদেশের একটি স্থাপনা। ধলেশ্বরীর তীরের দক্ষিণ কানারচরের আর্কেডিয়া অ্যাডুকেশন প্রকল্পটির স্থপতি সাইফ উল হক। যেটি আজকের ভিন্নচোখের প্রচ্ছদে স্থান পেয়েছে। এছাড়া বাহরাইন, প্যালেস্টাইন, রুশ ফেডারেশন, সেনেগাল ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রকল্প পুরস্কার জিতেছে। তবে সেরা ২০টি প্রজেক্টের মধ্যে আরো একটি ছিল বাংলাদেশের। সেটি হচ্ছে গাজীপুরের আম্বার ডেনিম লুম শেড। আম্বার ডেনিম লুম শেডের মূল স্থপতি জুবায়ের হাসান। সঙ্গে ছিলেন তার দুই পার্টনার লুতফুল্লাহিল মজিদ রিয়াজ ও নবী নেওয়াজ খান।
এর আগে ২০১৬ সালে স্থাপত্যবিদ্যার এই পুরস্কার জিতেছিলেন দুই বাংলাদেশি স্থপতি মেরিনা তাবাসসুম ও কাশেফ মাহবুব চৌধুরী। স্থপতি মেরিনা তাবাসসুমের করা বায়তুর রউফ মসজিদের নকশায় রয়েছে সুলতানি স্থাপত্যের অনুপ্রেরণা। আর ফ্রেন্ডশিপ সেন্টারের নকশায় স্থপতি কাশেফ মাহবুব চৌধুরী এনেছেন মহাস্থানগড়ের আবহ। তারা দু’জন এ পুরস্কার জয় করার আগে বাংলাদেশে অবস্থিত বিদেশিদের দ্বারা নির্মিত ৩টি স্থাপনা পেয়েছিল এ পুরস্কার। এগুলো হলো জাতীয় সংসদ ভবন, গ্রামীণ ব্যাংক হাউজিং প্রকল্প ও রুদ্রপুর স্কুল।
