যাত্রীদের দুর্ভোগ
চাঁদপুর প্রতিনিধি
বাংলাদেশ আভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডাব্লিউটিসি) পিএস মাহ্সুদ ও পিএস টার্ন নামে দুটি স্টিমার ইঞ্জিনের সঙ্গে সংযুক্ত রাবার ডিস্ক লারনার ও পাখার পাতা বিকল হয়ে চাঁদপুর রকেট ঘাটে পড়ে আছে। এর মধ্যে পিএস টার্ন শনিবার রাত ১১টায় এবং পিএস মাহ্সুদ গত ২৪ দিন পূর্বে বিকল হয়। রবিবার দুপুরে চাঁদপুর শহরের পুরাতন লঞ্চঘাটের পশ্চিম পাশে রকেট স্টিমার ঘাটে দেখা গেছে পিএস মাহ্সুদ ঘাটের জেটির সঙ্গে বাঁধা এবং তার পাশেই ডাকাতিয়া নদীর মাঝ বরাবর বাঁধা রয়েছে পিএস টার্ন।
বরিশালের যাত্রী শামছুল হক বলেন, তিনি স্ত্রীকে নিয়ে রকেটে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ঢাকা থেকে উঠেছেন। রকেট বিকল হওয়ার পরে খুবই সমস্যার মধ্যে আছি। এখন পর্যন্ত গন্তব্যে যাওয়ার জন্য কোনো রকেট কিংবা লঞ্চ পাইনি। রাতে লঞ্চ পাওয়া গেলে হয়তো যাওয়া যাবে।
রকেট ঘাটের জ্বালানি ব্যবসায়ী হাজি বিল্লাল মিয়াজী বলেন, গত প্রায় ১ মাস বিকল হয়ে ঘাটে পড়ে আছে পিএস মাহ্সুদ এবং পিএস টার্ন গতকাল রাতে বিকল হওয়ার পর থেকে কিছু যাত্রী নেমে অন্য রুটে গেলেও এখন পর্যন্ত অনেক যাত্রী খুবই দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।
বাংলাদেশ আভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশন (বিআইডাব্লিউটিসি)র চাঁদপুর রকেট ঘাটের সহকারী ম্যানেজার মো. মনির হোসেন বলেন, গত ২৪ দিন পূর্বে পিএস মাহ্সুদ ইঞ্জিনের সঙ্গে পাখার সংযোগ দেওয়া রাবার ডিস্ক লারনার নষ্ট হয়ে যায়। পরে এটি মেরামতের জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এটি মেরামত খুবই সূক্ষ্ম কাজ। তাই আরো ৮ থেকে ১০ দিন সময় লাগবে।
পিএস টার্ন শনিবার রাতে চাঁদপুরঘাটে যাত্রী নামিয়ে পুনরায় ছাড়ার সময় পাখার চারটি পাতা বাঁকা হয়ে যাওয়ার কারণে ইঞ্জিনে বিকট শব্দ হতে থাকে। বাঁকা পাতা উলটো ঘুরার কারণে ইঞ্জিন চালানো সম্ভব হয়নি। এই বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
