বিএনপির ৪১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

আপডেট : ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২২:০৭

জিয়াউর রহমানের মাজারে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন, আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে গতকাল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ৪১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করে। সকালে দলের কেন্দ্রীয়সহ সারাদেশের কার্যালয়গুলোতে পতাকা উত্তোলন করা হয়। এ উপলক্ষ্যে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের হাজার হাজার নেতাকর্মী গতকাল শেরেবাংলা নগরে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর নেতারা মাজার প্রাঙ্গণে দোয়া মোনাজাতে জিয়াউর রহমানের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা, দেশ ও জাতির শান্তি এবং দলীয় চেয়ারপারসন কারাবন্দি খালেদা জিয়ার সুস্বাস্থ্য কামনা করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান, মীর নাসির উদ্দিন, শাহজাহান ওমর বীর উত্তম, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক, ডা. সিরাজউদ্দীন আহমেদ, যুগ্ম-মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, হাবিব উন নবী খান সোহেল, খায়রুল কবির খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালকুদার দুলু, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, শহীদুল ইসলাম বাবুল, যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নিরব, সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দীন টুকু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদির ভূইয়া জুয়েল।

এছাড়া গতকাল রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দসহ দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ বক্তব্য রাখেন। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আজ সোমবার একটি শোভাযাত্রা বের করা হবে। নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে বেলা ২টায় শোভাযাত্রাটি শুরু হয়ে মগবাজার চৌরাস্তায় গিয়ে শেষ হবে। 

জিয়ার মাজারে এক বিএনপি নেতাকে মারধর

এদিকে জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদনকালে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয় সংগঠনের মহানগর উত্তরের সিনিয়র সহ-সভাপতি মুন্সি বজলুল বাসিত আঞ্জুকে। এসময় কিল, ঘুসি, লাথি মারা ছাড়াও তার পাঞ্জাবি ছিঁড়ে ফেলা হয়। এছাড়া সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আহসান উল্লাহ হাসান ও যুগ্ম সম্পাদক এ জি এম শামসুল ইসলামসহ কয়েকজনকে ধাওয়া করেন দলের বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা। তবে তারা পরিস্থিতি বুঝতে পেরে দৌড়ে পালিয়ে যান বলে জানা যায়। বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা জানান, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির দায়িত্বশীল নেতারা টাকার বিনিময়ে অযোগ্যদের দিয়ে ‘পকেট কমিটি’ করেছেন বিভিন্ন থানায়। এর সঙ্গে নতুন করে আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলের ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচন করতেও বাণিজ্য শুরু করেছেন তারা।