একাত্তরের পর বাংলাদেশ থেকে কেউ ভারতে যায়নি :স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট : ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২৩:৫০

ভারতের আসামে সম্প্রতি ঘোষিত জাতীয় নাগরিকপঞ্জি (এনআরসি) প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান এমপি বলেছেন, ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মন্তব্য করছি না এবং করতে চাইও না। তারা যদি আমাদের কিছু জিজ্ঞাসা করে তাহলে আমাদের প্রতিক্রিয়াটা আমরা জানাবো। তবে আমরা সুস্পষ্টভাবে বলতে চাই একাত্তর সালের পরে বাংলাদেশ থেকে কোনো লোক ভারতে যায়নি। যারা গিয়েছেন তারা আগেই গিয়েছেন। ঐ দেশ থেকে যেমন এ দেশে এসেছেন, তেমনই আমাদের দেশ থেকেও গিয়েছেন। কাজেই এনিয়ে আমাদের চিন্তিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।

গতকাল রবিবার সকালে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে কারারক্ষীদের ৫৬তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণের সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। কারারক্ষীদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, আপনারা আপনাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে সরকারের সাফল্যকে আরো উজ্জ্বল করবেন। কারা অভ্যন্তর হতে জঙ্গি ও শীর্ষ সন্ত্রাসীরা যাতে কোনোরূপ সমাজ ও রাষ্ট্রবিরোধী অপতত্পরতা চালাতে না পারে সে বিষয়ে সতর্ক থাকবেন। শৃঙ্খলা ও মানবিকতাকে প্রাধান্য দিয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধ করবেন।

প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে আসাদুজ্জামান খান বলেন, ঢাকার কেরানীগঞ্জে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কারা প্রশিক্ষণ একাডেমি নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। রাজশাহীতে কারা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কাজ চলমান রয়েছে, অল্প কিছুদিনের মধ্যে এর নির্মাণকাজ শেষ হবে।

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (সুরক্ষা সেবা) মো. শহিদুজ্জামান, কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম মোস্তফা কামাল পাশা, গাজীপুর সিটি মেয়র মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, জেলা প্রশাসক এস এম তরিকুল ইসলাম, কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগারের ভারপ্রাপ্ত সুপার মো. শাহজাহান আহমেদসহ কারা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারা-১ এর সিনিয়র জেল সুপার সুব্রত কুমার বালা জানান, প্রশিক্ষণে ৩১৯জন নবীন কারারক্ষী অংশ নেন। প্রথম স্থান অধিকার করেন রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের মো. মারুফ হোসেন, দ্বিতীয় হন কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগারের মো. বিপ্লব হোসেন এবং বেস্ট ফায়ারার নির্বাচিত হন মেহেরপুর জেলা কারাগারের মো. সাজ্জাদ হোসেন।