গার্মেন্টসের সংস্কার তদারকিতে নতুন উদ্যোগ

আপডেট : ০২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২১:১৬

ইত্তেফাক রিপোর্ট

গার্মেন্টস কারখানার সংস্কার কার্যক্রম তদারকিতে আরএমজি সাসটেইনেবল কাউন্সিল (আরএসসি) নামে নতুন একটি প্ল্যাটফরম গঠন করা হচ্ছে। কারখানার মালিকপক্ষ থেকে এ উদ্যোগ নেওয়া হলেও এতে বিদেশি ক্রেতা, ব্র্যান্ড, শ্রমিক প্রতিনিধি, মালিকপক্ষ, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা যুক্ত থাকবেন। মূলত ইউরোপ ও আমেরিকার ক্রেতাদের সমন্বয়ে গঠিত কারখানা পরিদর্শন জোট অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্সের বিকল্প হিসেবে আরএসসি গঠন করা হচ্ছে।

গার্মেন্টস শিল্প-মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, আজ মঙ্গলবার পোশাক শিল্প-মালিক ছাড়াও ব্র্যান্ড, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও), সরকারি বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে এ বিষয়ে বিশদ আলোচনার পর এ বিষয়ে রূপরেখা ঠিক করা হবে। এর ভিত্তিতে আরএসসি গঠন করা হবে। আরএসসির মাধ্যমে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর সদস্য বহির্ভূত কারখানার সংস্কার কার্যক্রমও তদারক করা হবে।

পোশাক শিল্প মালিকরা চাইছেন, একটি নির্দিষ্ট মানদণ্ডের আলোকে গার্মেন্টস কারখানার সংস্কার কার্যক্রম তদারকি করা হোক। এ লক্ষ্যে সরকার সংস্কার সমন্বয় সেল বা আরসিসি গঠন করলেও তাতে বিদেশি ক্রেতা ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের শ্রমিক প্রতিনিধিদের আস্থা নেই। এ পরিস্থিতিতে আরসিসি শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে পারছে না। এমন বাস্তবতায় বিদেশি ক্রেতা ও শ্রমিক সংগঠনগুলোর কাছে বিশ্বাসযোগ্য ও নিরপেক্ষ একটি সংস্কার তদারক প্রতিষ্ঠান গঠনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।

সূত্র জানিয়েছে, আরএসসিতে অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্সের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো হবে। এ লক্ষ্যে ওই দুই জোটের অবকাঠামো ও কার্যক্রম পরিচালনা পদ্ধতি কাজে লাগানো হবে। এজন্য প্রতিষ্ঠান দুটির কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন কর্মকর্তাদের আরএসসিতে কাজে লাগানো হবে। অ্যাকর্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরই আরএসসি কার্যক্রম শুরু করবে।

অবশ্য এই ইস্যুটি নিয়ে পোশাক শিল্প-মালিকদের আরেকটি সংগঠন বিকেএমইএ অবহিত নয় বলে জানা গেছে। বিকেএমইএর সহসভাপতি ফজলে শামীম এহসান গতকাল ইত্তেফাককে বলেন, এ বিষয়টি আমরা এখনো জানি না। তবে এ ধরনের উদ্যোগ সরকারের মাধ্যমেই নেওয়া উচিত। অন্তর্বর্তীকালীন কোনো উদ্যোগে কাঙ্ক্ষিত ফল আসবে না।