শুরু হলো ২০তম টেক্সটেক বাংলাদেশ

আপডেট : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২১:১৪

ইত্তেফাক রিপোর্ট

সেমস গ্লোবালের আয়োজনে ঢাকায় শুরু হয়েছে চারদিনব্যাপী ২০তম টেক্সটেক বাংলাদেশ। এটি দক্ষিণ এশিয়ার টেক্সটাইল এবং গার্মেন্টস শিল্পের অন্যতম আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী। চলবে ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। বসুন্ধরা  ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটিতে এই প্রদর্শনীর পাশাপাশি সেমস গ্লোবাল আয়োজন করেছে ১৬তম ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইয়ার্ন অ্যান্ড ফেব্রিক শো এবং ৩৮তম ডাই-ক্যাম বাংলাদেশ এক্সপো।

গতকাল বুধবার ঐ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন এমপি। উপস্থিত ছিলেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব বেলায়েত হোসেন, বিকেএমইএ’র ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট মনসুর আহমেদ, সেমসের গ্রুপ সিইও এস এস সারোয়ার, সেমস গ্লোবালের প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড গ্রুপ ম্যানেজিং ডিরেক্টর মেহেরুন নেসা ইসলাম।

স্বাগতিক বাংলাদেশ ছাড়াও চীন, ভারত, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, তাইওয়ান, জাপান, তুরস্ক, ইতালি, শ্রীলঙ্কাসহ মোট ২৫টি দেশের প্রায় ১২৫০টি প্রতিষ্ঠান ১৫০০টি স্টলের মাধ্যমে তাদের পণ্য ও পরিষেবাদি প্রদর্শন করছে। পোশাকশিল্প খাতের এ সর্ববৃহত্ প্রদর্শনীতে আগত দর্শনার্থীদের জন্য থাকছে টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস শিল্পের আনুষঙ্গিক যন্ত্রপাতি, সুতা, কাপড়ের বিশাল সমাহার। এছাড়া, থাকছে কাপড় উত্পাদক মেশিনারিজ, নিত্য নতুন টেকনোলজি ও রাসায়নিক দ্রব্যের বিশাল সমাহার। উক্ত প্রদর্শনীগুলোতে আগত দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং দর্শক ভোক্তা, উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের জন্য ওয়ান স্টপ ও যুগোপযোগী প্ল্যাটফরম হিসেবে কাজ করবে। এতে কার্যকরি ও ফলপ্রসূ যোগাযোগের মাধ্যমে উদ্যোক্তারা আধুনিক প্রযুক্তি ও  সেবার সঙ্গে পরিচিত হতে পারবেন। এছাড়া, ভোক্তা, উদ্যোক্তা, আমদানিকারক ও সরবরাহকারীদের সরাসরি সাক্ষাত্ এবং আলাপচারিতার ফলে সকলের মধ্যে সেতুবন্ধন গড়ে উঠবে এবং নতুন ব্যাবসায়িক খাত প্রসার করবে যা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

উদ্বোধনকালে শিল্পমন্ত্রী তৈরি পোশাক শিল্পে বাংলাদেশকে ‘গ্লোবাল লিডার’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, বাংলাদেশ গার্মেন্টসখাতে এশিয়াসহ সারা বিশ্বে নেতৃত্ব দিচ্ছে। বিশ্ববাজারে এ শিল্পের অবস্থান ধরে রাখতে পণ্য বৈচিত্র্যকরণের পাশাপাশি নতুন বাজার খুঁজে বের করতে হবে। এ শিল্পের যে কোনো সমস্যার সমাধানে মন্ত্রণালয়ের নীতি সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান। এ সময় তিনি দেশের তৈরি পোশাক শিল্পকে বিশ্বমানের করে গড়ে তোলার পরামর্শ দেন।

প্রদর্শনী প্রতিদিন সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা পর্যন্ত চলবে। এটি সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে এবং এতে প্রবেশ মূল্য দিতে হবে না।