বলাত্কারের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় :পুলিশ

আপডেট : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২১:২৬

নোয়াখালী প্রতিনিধি

 চার জন মিলে বলাত্কারের পর শ্বাসরোধে করে হত্যা করেছে শিশু এমরান হোসেনকে (৮)। সে জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার ছয়ানি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্র এবং এলাকার শরীফপুর গ্রামের সামছুল হকের ছেলে। তথ্যসূত্রবিহীন (ক্লুলেস) এ হত্যাকাণ্ডের আট দিনের মাথায় রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার সকালে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মো. আলমগীর হোসেন এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, এমরান গত ২২ আগস্ট দুপুর থেকে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়। এর পরদিন তার বাবা বেগমগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়ারি করেন। পরে ২৫ আগস্ট রাত সাড়ে ৮টার দিকে স্থানীয় ছয়ানি বাজারে একটি পরিত্যক্ত দোকানঘরের ভেতর প্লাস্টিকের ঝুড়ির মধ্যে শিশুটির অর্ধগলিত লাশ পাওয়া যায়। পরদিন এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের হয়। ক্লুলেস এ হত্যাকাণ্ডের তদন্তের একপর্যায়ে গত রবিবার একই ইউনিয়নের লক্ষ্মণপুর গ্রামের আবদুর রহমানের ছেলে ওয়াসিম আকরামকে (২০) গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের পর সে এ ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। সে জানায়, ছয়ানি বাজারে একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে তারা চার জন মিলে পালাক্রমে এমরানকে মুখ চেপে ধরে বলাত্কার করে। এক পর্যায়ে তার মুখ দিয়ে ফেনা বের হতে থাকলে গলায় রশি পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে মৃত্যু নিশ্চিত করে।

পুলিশ সুপার আরো জানান, মামলার তদন্তের স্বার্থে অপর তিন আসামির নাম প্রকাশ করা যাচ্ছে না। তাদেরকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।